সচিবালয়ে কর্মরত সকলের জন্য ২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে সচিবালয়ে কর্মরত সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করেছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার পর থেকে তিনি অবরুদ্ধ হন।
সরেজমিনে জানা গেছে, দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৩০০–৪০০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারী সচিবালয়ে জড়ো হন। পরে তাঁরা মিছিল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৃতীয় তলায় উপদেষ্টার দপ্তরের সামনে অবস্থান নেন এবং হ্যান্ড মাইকে সচিবালয় ভাতার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনের কারণ ব্যাখ্যা করে একজন সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) বলেন, ‘সচিবালয়ে কর্মরত সব ধরনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে এই আন্দোলন চলছে। উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও সচিবরা রাত পর্যন্ত অফিসে থাকেন, আমাদেরও ততক্ষণ থাকতে হয়। অথচ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা পে-স্কেলের বাইরে ভাতা পাচ্ছেন, আমরা তা থেকে বঞ্চিত।’ আন্দোলনকারীরা আরও জানান, এর আগে রেশনের দাবিতেও তাঁরা অর্থ উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ করেছিলেন। তখন বিবেচনার আশ্বাস পাওয়া গেলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এই কারণেই আজকের অবরোধ কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
সচিবালয়ে কর্মরত সকলের জন্য ২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে সচিবালয়ে কর্মরত সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করেছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার পর থেকে তিনি অবরুদ্ধ হন।
সরেজমিনে জানা গেছে, দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৩০০–৪০০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারী সচিবালয়ে জড়ো হন। পরে তাঁরা মিছিল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৃতীয় তলায় উপদেষ্টার দপ্তরের সামনে অবস্থান নেন এবং হ্যান্ড মাইকে সচিবালয় ভাতার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনের কারণ ব্যাখ্যা করে একজন সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) বলেন, ‘সচিবালয়ে কর্মরত সব ধরনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ সচিবালয় ভাতার দাবিতে এই আন্দোলন চলছে। উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও সচিবরা রাত পর্যন্ত অফিসে থাকেন, আমাদেরও ততক্ষণ থাকতে হয়। অথচ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা পে-স্কেলের বাইরে ভাতা পাচ্ছেন, আমরা তা থেকে বঞ্চিত।’ আন্দোলনকারীরা আরও জানান, এর আগে রেশনের দাবিতেও তাঁরা অর্থ উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ করেছিলেন। তখন বিবেচনার আশ্বাস পাওয়া গেলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এই কারণেই আজকের অবরোধ কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন