রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গণপিটুনিতে তোফাজ্জল হোসেন নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দাখিল করা নতুন অভিযোগপত্র গ্রহণের পর সোমবার এ আদেশ দেন আদালত।
পিবিআই পুনঃতদন্ত শেষে মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এর মধ্যে ২২ জন পলাতক, যাদের দ্রুত গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের মধ্যে কয়েকজন কারাগারে এবং দু’জন আহসান উল্লাহ বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম জামিনে রয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ফজলুল হক মুসলিম হল-এর প্রধান ফটকের সামনে। মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে ‘চোর’ সন্দেহে আটক করে হলের কিছু শিক্ষার্থী। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরদিন শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। প্রথম তদন্তে ২১ জনকে আসামি করা হলেও আদালতের নির্দেশে পিবিআই পুনঃতদন্ত করে আরও সাতজনকে তালিকায় যুক্ত করে। তবে বাদী পক্ষ নারাজি আবেদন করবেন বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত কোনো আবেদন না করায় আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়।
মামলাটি বর্তমানে উচ্চমাত্রার জনমত সৃষ্টি করেছে। গণপিটুনির মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গণপিটুনিতে তোফাজ্জল হোসেন নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দাখিল করা নতুন অভিযোগপত্র গ্রহণের পর সোমবার এ আদেশ দেন আদালত।
পিবিআই পুনঃতদন্ত শেষে মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এর মধ্যে ২২ জন পলাতক, যাদের দ্রুত গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের মধ্যে কয়েকজন কারাগারে এবং দু’জন আহসান উল্লাহ বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম জামিনে রয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ফজলুল হক মুসলিম হল-এর প্রধান ফটকের সামনে। মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে ‘চোর’ সন্দেহে আটক করে হলের কিছু শিক্ষার্থী। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরদিন শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। প্রথম তদন্তে ২১ জনকে আসামি করা হলেও আদালতের নির্দেশে পিবিআই পুনঃতদন্ত করে আরও সাতজনকে তালিকায় যুক্ত করে। তবে বাদী পক্ষ নারাজি আবেদন করবেন বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত কোনো আবেদন না করায় আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়।
মামলাটি বর্তমানে উচ্চমাত্রার জনমত সৃষ্টি করেছে। গণপিটুনির মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন