বান্দরবান জেলায় কিশোর অপরাধ দমন এবং সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় রাত ১০টার পর কোনো কিশোরকে রাস্তায় পাওয়া গেলে তাকে সরাসরি আইনি বিচারের সম্মুখীন করা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান। রোববার দিবাগত রাতে বান্দরবান পৌরসভার থানচি বাসস্টেশন এলাকায় পুলিশের বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলাকালে তিনি এই ঘোষণা প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে অনেক কিশোর পরিস্থিতির গুরুত্ব না বুঝে তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করছে। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভবিষ্যতে আর 'অটোপাস' পাওয়ার সুযোগ থাকবে না জানিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। চলমান পবিত্র রমজান মাসের তারাবি নামাজের সময় বিবেচনা করে পুলিশ নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত ৩০ মিনিট সময় শিথিল রাখবে বলে জানানো হয়েছে।
অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে জেলা পুলিশ প্রধান বলেন যে নিজের সন্তানের দায়িত্ব অন্য কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া সমীচীন হবে না। সন্তানরা কোথায় যায় এবং কার সঙ্গে মেলামেশা করে সে বিষয়ে অভিভাবকদের সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। যদি কোনো কিশোর রাত ১০টার মধ্যে ঘরে না ফেরে তবে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বান্দরবানে তথাকথিত কিশোর গ্যাং কালচার নির্মূলে পুলিশ প্রশাসন এখন থেকে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। যদি সত্যিই কোনো কিশোর অপরাধী চক্রের অস্তিত্ব পাওয়া যায় তবে তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করাই মূল লক্ষ্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
বান্দরবান জেলায় কিশোর অপরাধ দমন এবং সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় রাত ১০টার পর কোনো কিশোরকে রাস্তায় পাওয়া গেলে তাকে সরাসরি আইনি বিচারের সম্মুখীন করা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান। রোববার দিবাগত রাতে বান্দরবান পৌরসভার থানচি বাসস্টেশন এলাকায় পুলিশের বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলাকালে তিনি এই ঘোষণা প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে অনেক কিশোর পরিস্থিতির গুরুত্ব না বুঝে তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করছে। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভবিষ্যতে আর 'অটোপাস' পাওয়ার সুযোগ থাকবে না জানিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। চলমান পবিত্র রমজান মাসের তারাবি নামাজের সময় বিবেচনা করে পুলিশ নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত ৩০ মিনিট সময় শিথিল রাখবে বলে জানানো হয়েছে।
অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে জেলা পুলিশ প্রধান বলেন যে নিজের সন্তানের দায়িত্ব অন্য কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া সমীচীন হবে না। সন্তানরা কোথায় যায় এবং কার সঙ্গে মেলামেশা করে সে বিষয়ে অভিভাবকদের সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। যদি কোনো কিশোর রাত ১০টার মধ্যে ঘরে না ফেরে তবে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বান্দরবানে তথাকথিত কিশোর গ্যাং কালচার নির্মূলে পুলিশ প্রশাসন এখন থেকে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। যদি সত্যিই কোনো কিশোর অপরাধী চক্রের অস্তিত্ব পাওয়া যায় তবে তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করাই মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন