ঢাকার দোহার উপজেলায় আতশবাজি ফুটানোকে কেন্দ্র করে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনা ঘটেছে। আহত কিশোরের নাম আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ (১৭)। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় কয়েকজন কিশোর আতশবাজি ফুটাচ্ছিল। এ সময় শব্দ ও ঝুঁকি নিয়ে তাদের সঙ্গে আব্দুল্লাহর কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক বেড়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে অভিযুক্তদের একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে আব্দুল্লাহকে ছুরিকাঘাত করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, আব্দুল্লাহ জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং এ ধরনের হামলায় তারা ভীষণ মর্মাহত।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, সামান্য বিষয় নিয়ে এমন সহিংস ঘটনা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
ঢাকার দোহার উপজেলায় আতশবাজি ফুটানোকে কেন্দ্র করে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনা ঘটেছে। আহত কিশোরের নাম আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ (১৭)। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় কয়েকজন কিশোর আতশবাজি ফুটাচ্ছিল। এ সময় শব্দ ও ঝুঁকি নিয়ে তাদের সঙ্গে আব্দুল্লাহর কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক বেড়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে অভিযুক্তদের একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে আব্দুল্লাহকে ছুরিকাঘাত করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, আব্দুল্লাহ জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং এ ধরনের হামলায় তারা ভীষণ মর্মাহত।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, সামান্য বিষয় নিয়ে এমন সহিংস ঘটনা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।

আপনার মতামত লিখুন