খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার ই‑২৬ হাউজিং এস্টেটে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন‑৬ (র্যাব‑৬) এবং সিপিসি স্পেশাল কোম্পানির যৌথ অভিযানে ৭,৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার রাত ২টা ২০ মিনিটে অভিযানটি পরিচালিত হয় এবং ওই স্থাপনার একটি চিলেকোঠা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটটি স্থানীয় ও বৃহত্তর বাজারে বিপণনের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে স্থানীয় থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে খুলনা অঞ্চলে এসব অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হচ্ছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে খুলনার কৈয়া বাজার থেকে ২৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকেও আটক করা হয়েছিল, যা বৃহত্তর যুবসমাজ ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় সাফল্য বলে পুলিশ মনে করছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকচক্রকে দমন ও ইয়াবাসহ অন্যান্য নিষিদ্ধ পদার্থের বাণিজ্য থামাতে র্যাব ও-পুলিশ যৌথভাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান অব্যাহত রাখবে। সাথে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নীতিমালার আওতায় মাদক প্রতিরোধ কার্যক্রম শক্তিশালী করা হচ্ছে, যাতে যুবসমাজকে মাদকদ্রব্যের থেকে নিরাপদ রাখা যায়।
স্থানীয় গণমাধ্যম ও নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, মাদকের পূর্ণ দমন একক বাহিনীর কাজ নয়; এছাড়া সমাজ সচেতনতা, পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বজায় রাখা জরুরি, যাতে মাদকপুষ্ট যুবসমাজের সংখ্যা সংকুচিত করা যায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার ই‑২৬ হাউজিং এস্টেটে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন‑৬ (র্যাব‑৬) এবং সিপিসি স্পেশাল কোম্পানির যৌথ অভিযানে ৭,৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার রাত ২টা ২০ মিনিটে অভিযানটি পরিচালিত হয় এবং ওই স্থাপনার একটি চিলেকোঠা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটটি স্থানীয় ও বৃহত্তর বাজারে বিপণনের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে স্থানীয় থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে খুলনা অঞ্চলে এসব অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হচ্ছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে খুলনার কৈয়া বাজার থেকে ২৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকেও আটক করা হয়েছিল, যা বৃহত্তর যুবসমাজ ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় সাফল্য বলে পুলিশ মনে করছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকচক্রকে দমন ও ইয়াবাসহ অন্যান্য নিষিদ্ধ পদার্থের বাণিজ্য থামাতে র্যাব ও-পুলিশ যৌথভাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান অব্যাহত রাখবে। সাথে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নীতিমালার আওতায় মাদক প্রতিরোধ কার্যক্রম শক্তিশালী করা হচ্ছে, যাতে যুবসমাজকে মাদকদ্রব্যের থেকে নিরাপদ রাখা যায়।
স্থানীয় গণমাধ্যম ও নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, মাদকের পূর্ণ দমন একক বাহিনীর কাজ নয়; এছাড়া সমাজ সচেতনতা, পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বজায় রাখা জরুরি, যাতে মাদকপুষ্ট যুবসমাজের সংখ্যা সংকুচিত করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন