বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহামান্য মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নির্বাচনের পর পদত্যাগ করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন, যদিও বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কথায়, তিনি নিজেকে অপমানিত এবং হেয়াধিকারিত বোধ করছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে তার পর্যাপ্ত যোগাযোগ নেই, তার প্রেস বিভাগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এবং দূতাবাসগুলো থেকে তার ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে তিনি তার অবস্থান অসন্তোষজনক মনে করছেন।
তবে রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেছেন যে, তিনি সংবিধান মেনে নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন, এবং ভোট শেষে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তিনি বলেন, “আমি যে অবস্থানে আছি, তা থেকে বেরিয়ে যেতে চাই।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাষ্ট্রপতির পদ প্রধানত সাংবিধানিক ও আনুষ্ঠানিক হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আচরণের কারণে পদত্যাগের ইঙ্গিত প্রকাশের ঘটনা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথগ্রহণ করেন এবং তার পদে থাকার মেয়াদ পাঁচ বছর। এই পদত্যাগের ঘোষণা নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সম্পর্কের অবনতি তুলে ধরেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহামান্য মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নির্বাচনের পর পদত্যাগ করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন, যদিও বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কথায়, তিনি নিজেকে অপমানিত এবং হেয়াধিকারিত বোধ করছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে তার পর্যাপ্ত যোগাযোগ নেই, তার প্রেস বিভাগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এবং দূতাবাসগুলো থেকে তার ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে তিনি তার অবস্থান অসন্তোষজনক মনে করছেন।
তবে রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেছেন যে, তিনি সংবিধান মেনে নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন, এবং ভোট শেষে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তিনি বলেন, “আমি যে অবস্থানে আছি, তা থেকে বেরিয়ে যেতে চাই।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাষ্ট্রপতির পদ প্রধানত সাংবিধানিক ও আনুষ্ঠানিক হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আচরণের কারণে পদত্যাগের ইঙ্গিত প্রকাশের ঘটনা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথগ্রহণ করেন এবং তার পদে থাকার মেয়াদ পাঁচ বছর। এই পদত্যাগের ঘোষণা নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সম্পর্কের অবনতি তুলে ধরেছে।

আপনার মতামত লিখুন