ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। গাড়ি ও মোটরসাইকেল মালিকরা তেল ভরাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। বিশেষ করে সকাল ও বিকাল সময় লাইনের চাপ আরও বেড়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের কারণে সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় দেশজুড়ে মানুষ উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে স্ট্রেইট অফ হরমুজের নিরাপত্তা ও যুদ্ধসংক্রান্ত খবরের প্রভাবে তেলের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রামসহ ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের ভিড় বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPC) জানিয়েছে, দেশে তেলের স্টক পর্যাপ্ত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে চলমান। তবে ভিড় ও দীর্ঘ লাইনের কারণে ক্রেতাদের জন্য কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। মোটরসাইকেল ও ছোট গাড়ির জন্য প্রতিদিনের সর্বোচ্চ কেনার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতাদের আগে কেনা তেলের রসিদ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারি সূত্র জানিয়েছে, ফিলিং স্টেশনে তেলের ঘাটতি নেই। তবে গুজব এবং আতঙ্কজনিত কেনাকাটার কারণে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষও সতর্কভাবে তেল কিনতে আগ্রহী, যা যানজট ও অপেক্ষার সময় বৃদ্ধি করছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, জনগণ আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজনমতো তেল কেনা অব্যাহত রাখলে বাজার স্বাভাবিক থাকবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোর পাশে তদারকি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে দীর্ঘ লাইনের পেছনে মূল কারণ হচ্ছে জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকট ও দাম বাড়ার আশঙ্কা। সরবরাহে কোন বড় সমস্যা না থাকলেও গুজব ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটার কারণে পাম্পগুলোতে চাপ তৈরি হয়েছে, যা সরকার নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। গাড়ি ও মোটরসাইকেল মালিকরা তেল ভরাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। বিশেষ করে সকাল ও বিকাল সময় লাইনের চাপ আরও বেড়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের কারণে সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় দেশজুড়ে মানুষ উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে স্ট্রেইট অফ হরমুজের নিরাপত্তা ও যুদ্ধসংক্রান্ত খবরের প্রভাবে তেলের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রামসহ ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের ভিড় বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPC) জানিয়েছে, দেশে তেলের স্টক পর্যাপ্ত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে চলমান। তবে ভিড় ও দীর্ঘ লাইনের কারণে ক্রেতাদের জন্য কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। মোটরসাইকেল ও ছোট গাড়ির জন্য প্রতিদিনের সর্বোচ্চ কেনার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতাদের আগে কেনা তেলের রসিদ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারি সূত্র জানিয়েছে, ফিলিং স্টেশনে তেলের ঘাটতি নেই। তবে গুজব এবং আতঙ্কজনিত কেনাকাটার কারণে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষও সতর্কভাবে তেল কিনতে আগ্রহী, যা যানজট ও অপেক্ষার সময় বৃদ্ধি করছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, জনগণ আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজনমতো তেল কেনা অব্যাহত রাখলে বাজার স্বাভাবিক থাকবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোর পাশে তদারকি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে দীর্ঘ লাইনের পেছনে মূল কারণ হচ্ছে জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকট ও দাম বাড়ার আশঙ্কা। সরবরাহে কোন বড় সমস্যা না থাকলেও গুজব ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটার কারণে পাম্পগুলোতে চাপ তৈরি হয়েছে, যা সরকার নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ