মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এই আশঙ্কায় রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে তিন দিন ধরে উপচে পড়া ভিড় অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের পর আজ শনিবারও (৭ মার্চ) মহাখালী, বিজয় স্মরণীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশনে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের জন্য দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। অনেক স্থানে গাড়ির লাইন মূল রাস্তা পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ চালকই ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে জ্বালানি নিচ্ছেন। এতে কোনো কোনো স্টেশনে অল্প সময়ের মধ্যেই সাময়িকভাবে জ্বালানি শেষ হয়ে গেছে এবং কিছু পাম্প সাময়িকভাবে বিক্রয় বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, তেলের দাম বাড়ানো বা সরবরাহ কমানোর বিষয়ে কোনো নির্দেশনা এখনও পাওয়া যায়নি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) যানবাহনভেদে জ্বালানি বিক্রয়ের সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল দেওয়া যাবে। জিপ ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা যাবে বলে জানিয়েছে বিপিসি।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে এবং সংকটের কোনো কারণ নেই। গুজব ছড়িয়ে পড়ায় অস্বাভাবিক চাহিদা তৈরি হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এই আশঙ্কায় রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে তিন দিন ধরে উপচে পড়া ভিড় অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের পর আজ শনিবারও (৭ মার্চ) মহাখালী, বিজয় স্মরণীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশনে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের জন্য দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। অনেক স্থানে গাড়ির লাইন মূল রাস্তা পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ চালকই ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে জ্বালানি নিচ্ছেন। এতে কোনো কোনো স্টেশনে অল্প সময়ের মধ্যেই সাময়িকভাবে জ্বালানি শেষ হয়ে গেছে এবং কিছু পাম্প সাময়িকভাবে বিক্রয় বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, তেলের দাম বাড়ানো বা সরবরাহ কমানোর বিষয়ে কোনো নির্দেশনা এখনও পাওয়া যায়নি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) যানবাহনভেদে জ্বালানি বিক্রয়ের সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল দেওয়া যাবে। জিপ ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা যাবে বলে জানিয়েছে বিপিসি।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে এবং সংকটের কোনো কারণ নেই। গুজব ছড়িয়ে পড়ায় অস্বাভাবিক চাহিদা তৈরি হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে।

আপনার মতামত লিখুন