আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শুক্রবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগের দিনই উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি ও মাহফুজ আলম। এরপর থেকেই আসিফ মাহমুদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা ছড়ায়। কেউ বলছিলেন তিনি এনসিপিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ দেবেন, আবার কেউ ধারণা করেছিলেন তিনি গণঅধিকার পরিষদ হয়ে বিএনপি জোটের প্রার্থী হতে পারেন। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন—কোনো বড় রাজনৈতিক দল নয়, বরং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই তিনি ভোটের মাঠে লড়বেন।
ফেসবুক পোস্টে যুক্ত ভিডিওতে আসিফ বলেন, “বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নির্ধারণের সুযোগ এসেছে দীর্ঘ ১৭ বছর পর। নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ, স্বপ্নের বাস্তবায়ন কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসা বিভাজনের রাজনীতি নয়—আমাদের দরকার জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র, নতুন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক বন্দোবস্ত।”
তিনি বলেন, “এই লড়াই সহজ নয়। তবে মতিউর রহমান, তারামন বিবি, নূর হোসেন, ফেলানী, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের আত্মত্যাগ আমাকে প্রেরণা দেয়। আমি পুনর্গঠন ও বিনির্মাণের এই লড়াই চালিয়ে যেতে চাই।”
ঢাকা-১০ আসন—ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ, নিউ মার্কেট ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার একাংশ নিয়ে গঠিত—সেখান থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। বলেন, “বড় কোনো রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতা নেই, নেই বিপুল কর্মী কিংবা প্রচলিত ব্যবস্থার মতো অর্থ। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থনই আমার একমাত্র শক্তি। আমার দায়বদ্ধতা থাকবে শুধুমাত্র আপনাদের প্রতিই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি শুধু সংসদ সদস্য প্রার্থী নই—গণভোটেরও প্রার্থী। এতগুলো প্রাণের বিনিময়ে যে দেশ সংস্কারের সুযোগ এসেছে, তা বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন।”
এদিকে, আরেক পদত্যাগী ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলম নির্বাচন করবেন কি না বা করলে কোন দল থেকে করবেন—তা এখনো নিশ্চিত নয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শুক্রবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগের দিনই উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি ও মাহফুজ আলম। এরপর থেকেই আসিফ মাহমুদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা ছড়ায়। কেউ বলছিলেন তিনি এনসিপিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ দেবেন, আবার কেউ ধারণা করেছিলেন তিনি গণঅধিকার পরিষদ হয়ে বিএনপি জোটের প্রার্থী হতে পারেন। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন—কোনো বড় রাজনৈতিক দল নয়, বরং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই তিনি ভোটের মাঠে লড়বেন।
ফেসবুক পোস্টে যুক্ত ভিডিওতে আসিফ বলেন, “বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নির্ধারণের সুযোগ এসেছে দীর্ঘ ১৭ বছর পর। নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ, স্বপ্নের বাস্তবায়ন কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসা বিভাজনের রাজনীতি নয়—আমাদের দরকার জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র, নতুন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক বন্দোবস্ত।”
তিনি বলেন, “এই লড়াই সহজ নয়। তবে মতিউর রহমান, তারামন বিবি, নূর হোসেন, ফেলানী, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের আত্মত্যাগ আমাকে প্রেরণা দেয়। আমি পুনর্গঠন ও বিনির্মাণের এই লড়াই চালিয়ে যেতে চাই।”
ঢাকা-১০ আসন—ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ, নিউ মার্কেট ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার একাংশ নিয়ে গঠিত—সেখান থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। বলেন, “বড় কোনো রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতা নেই, নেই বিপুল কর্মী কিংবা প্রচলিত ব্যবস্থার মতো অর্থ। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থনই আমার একমাত্র শক্তি। আমার দায়বদ্ধতা থাকবে শুধুমাত্র আপনাদের প্রতিই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি শুধু সংসদ সদস্য প্রার্থী নই—গণভোটেরও প্রার্থী। এতগুলো প্রাণের বিনিময়ে যে দেশ সংস্কারের সুযোগ এসেছে, তা বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন।”
এদিকে, আরেক পদত্যাগী ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলম নির্বাচন করবেন কি না বা করলে কোন দল থেকে করবেন—তা এখনো নিশ্চিত নয়।

আপনার মতামত লিখুন