ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বাগেরহাটে ব্যাংক থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণ গায়েবের অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬

বাগেরহাটে ব্যাংক থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণ গায়েবের অভিযোগ

বাগেরহাট–এ একটি ব্যাংকের লকার থেকে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পূবালী ব্যাংক লিমিটেড–এর একটি শাখায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাস জানান, গত বছরের অক্টোবর মাসে তিনি তার মা, খালা, ভাই ও স্ত্রীর ব্যবহৃত প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার ব্যাংকের সেফটি ডিপোজিট লকারে জমা রাখেন। সম্প্রতি একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য লকার খুলতে গেলে তিনি দেখেন, লকারে রাখা কোনো স্বর্ণালংকার নেই। পরে বিষয়টি তিনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

ঘটনাটি জানাজানি হলে ব্যাংকের অন্যান্য লকার গ্রাহকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দেয়। অনেক গ্রাহক তাদের লকার পরীক্ষা করতে ব্যাংকে আসেন। তবে প্রাথমিকভাবে অন্য গ্রাহকদের লকারে থাকা জিনিসপত্র ঠিক আছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ব্যাংকে গিয়ে লকার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছে। কীভাবে একটি সুরক্ষিত ব্যাংক লকার থেকে এত পরিমাণ স্বর্ণালংকার গায়েব হলো, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ২০০ ভরি স্বর্ণের মূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বাগেরহাটে ব্যাংক থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণ গায়েবের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

বাগেরহাট–এ একটি ব্যাংকের লকার থেকে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পূবালী ব্যাংক লিমিটেড–এর একটি শাখায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাস জানান, গত বছরের অক্টোবর মাসে তিনি তার মা, খালা, ভাই ও স্ত্রীর ব্যবহৃত প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার ব্যাংকের সেফটি ডিপোজিট লকারে জমা রাখেন। সম্প্রতি একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য লকার খুলতে গেলে তিনি দেখেন, লকারে রাখা কোনো স্বর্ণালংকার নেই। পরে বিষয়টি তিনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

ঘটনাটি জানাজানি হলে ব্যাংকের অন্যান্য লকার গ্রাহকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দেয়। অনেক গ্রাহক তাদের লকার পরীক্ষা করতে ব্যাংকে আসেন। তবে প্রাথমিকভাবে অন্য গ্রাহকদের লকারে থাকা জিনিসপত্র ঠিক আছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ব্যাংকে গিয়ে লকার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছে। কীভাবে একটি সুরক্ষিত ব্যাংক লকার থেকে এত পরিমাণ স্বর্ণালংকার গায়েব হলো, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ২০০ ভরি স্বর্ণের মূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ