কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা ৪ মার্চ বিকেলে হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। প্রাথমিক ময়নাতদন্তে দেখা গেছে, তার মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল গভীর রক্তক্ষরণ, তবে শরীরে মোট প্রায় ২০টিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় আসমা সাদিয়া রুনাকে তার অফিস কক্ষে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ তাকে দ্রুত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলার সময় একই কক্ষে উপস্থিত এক কর্মকর্তা ফজলুর রহমানও অভিযোগ করা হয়েছে আত্মরক্ষার প্রয়াসে নিজের গলায় আঘাত করেছেন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রাথমিক ময়নাতদন্তে দেখা গেছে, আসমা সাদিয়ার গলার ডানদিকের নিচে একটি গভীর আঘাত ছিল যা রক্তনালী কেটে দেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়। শরীরের অন্যান্য অংশে পাওয়া আঘাতগুলো মূলত আত্মরক্ষার প্রয়াসের ফল বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা দ্রুত ন্যায়বিচার ও হত্যার নেপথ্য কারণ উদঘাটনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত চালাচ্ছেন।
প্রাথমিক তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রস্তুত করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকারীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং ঘটনার নেপথ্য কারণ উদঘাটন করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা ৪ মার্চ বিকেলে হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। প্রাথমিক ময়নাতদন্তে দেখা গেছে, তার মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল গভীর রক্তক্ষরণ, তবে শরীরে মোট প্রায় ২০টিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় আসমা সাদিয়া রুনাকে তার অফিস কক্ষে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ তাকে দ্রুত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলার সময় একই কক্ষে উপস্থিত এক কর্মকর্তা ফজলুর রহমানও অভিযোগ করা হয়েছে আত্মরক্ষার প্রয়াসে নিজের গলায় আঘাত করেছেন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রাথমিক ময়নাতদন্তে দেখা গেছে, আসমা সাদিয়ার গলার ডানদিকের নিচে একটি গভীর আঘাত ছিল যা রক্তনালী কেটে দেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়। শরীরের অন্যান্য অংশে পাওয়া আঘাতগুলো মূলত আত্মরক্ষার প্রয়াসের ফল বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা দ্রুত ন্যায়বিচার ও হত্যার নেপথ্য কারণ উদঘাটনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত চালাচ্ছেন।
প্রাথমিক তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রস্তুত করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকারীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং ঘটনার নেপথ্য কারণ উদঘাটন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন