ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আজ মানববন্ধন পালন করেছেন। সিনেট ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে হত্যাকারীর দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রুনা ছিলেন নম্র, ভদ্র ও নিয়মিতভাবে তার বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য পরিচিত। তার হত্যাকাণ্ড কেবল পরিবার নয়, পুরো শিক্ষাব্যবস্থার জন্য শোকের বিষয়। বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষাঙ্গনে এমন হত্যাকাণ্ড যেন আর কখনো না ঘটে, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এই মানববন্ধনে সামাজিক কর্ম বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন এবং ন্যায়বিচারের দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মানববন্ধনে প্রধান দাবিগুলো ছিল হত্যাকারীর দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং ভবিষ্যতে শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রাবিতে মানববন্ধনের পেছনে মূল ঘটনাটি ঘটে গত ৪ মার্চ, যখন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারী ফজলুর রহমান সহকারী অধ্যাপক রুনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। হত্যাকারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন। নিহতের স্বামী ইমতিয়াজুর রহমান পরবর্তীতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষাঙ্গনে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড শিক্ষাব্যবস্থার জন্য সতর্কবার্তা। মানববন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করেছেন, ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আজ মানববন্ধন পালন করেছেন। সিনেট ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে হত্যাকারীর দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রুনা ছিলেন নম্র, ভদ্র ও নিয়মিতভাবে তার বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য পরিচিত। তার হত্যাকাণ্ড কেবল পরিবার নয়, পুরো শিক্ষাব্যবস্থার জন্য শোকের বিষয়। বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষাঙ্গনে এমন হত্যাকাণ্ড যেন আর কখনো না ঘটে, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এই মানববন্ধনে সামাজিক কর্ম বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন এবং ন্যায়বিচারের দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মানববন্ধনে প্রধান দাবিগুলো ছিল হত্যাকারীর দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং ভবিষ্যতে শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রাবিতে মানববন্ধনের পেছনে মূল ঘটনাটি ঘটে গত ৪ মার্চ, যখন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারী ফজলুর রহমান সহকারী অধ্যাপক রুনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। হত্যাকারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন। নিহতের স্বামী ইমতিয়াজুর রহমান পরবর্তীতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষাঙ্গনে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড শিক্ষাব্যবস্থার জন্য সতর্কবার্তা। মানববন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করেছেন, ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

আপনার মতামত লিখুন