ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিককে শনাক্ত করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করা হয়।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, হামলার সময় ব্যবহার করা মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ট্র্যাক করে এর মালিক আব্দুল হান্নানকে শনাক্ত করা হয়। পরে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) তাকে আটক করে পল্টন থানায় হস্তান্তর করে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং মোটরসাইকেলটি কীভাবে হামলাকারীদের কাছে পৌঁছায়—সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে কাজ চলছে।
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় রিকশাযোগে চলার সময় হাদির ওপর মোটরসাইকেলযোগে এসে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরপরই দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মোটরসাইকেলের মালিককে হেফাজতে নেওয়ার ফলে হামলার পেছনের পরিকল্পনা, সহযোগী এবং মূল শুটারদের শনাক্ত করা সহজ হবে। সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল কল ডিটেইলস ও অন্যান্য ডিজিটাল আলামত বিশ্লেষণ করে একাধিক সন্দেহভাজনের গতিবিধি চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও তারা জানান।
এদিকে এই হামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন সংগঠন ও বিশিষ্টজনেরা এটিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য অশনিসংকেত হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশে রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তদন্তের আরও অগ্রগতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়ী বা নির্দোষ বলা যাবে না বলেও সতর্ক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিককে শনাক্ত করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করা হয়।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, হামলার সময় ব্যবহার করা মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ট্র্যাক করে এর মালিক আব্দুল হান্নানকে শনাক্ত করা হয়। পরে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) তাকে আটক করে পল্টন থানায় হস্তান্তর করে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং মোটরসাইকেলটি কীভাবে হামলাকারীদের কাছে পৌঁছায়—সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে কাজ চলছে।
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় রিকশাযোগে চলার সময় হাদির ওপর মোটরসাইকেলযোগে এসে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরপরই দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মোটরসাইকেলের মালিককে হেফাজতে নেওয়ার ফলে হামলার পেছনের পরিকল্পনা, সহযোগী এবং মূল শুটারদের শনাক্ত করা সহজ হবে। সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল কল ডিটেইলস ও অন্যান্য ডিজিটাল আলামত বিশ্লেষণ করে একাধিক সন্দেহভাজনের গতিবিধি চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও তারা জানান।
এদিকে এই হামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন সংগঠন ও বিশিষ্টজনেরা এটিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য অশনিসংকেত হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশে রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তদন্তের আরও অগ্রগতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়ী বা নির্দোষ বলা যাবে না বলেও সতর্ক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন