রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সোমবার ভোররাতে ডাকাত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিয়েছে, যা নিয়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভোর ২–৩টার মধ্যে সন্দেহভাজনরা একটি মিনি‑ট্রাক বা পিকআপ ভ্যানে গ্রামে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাদের আচরণ অস্বাভাবিক মনে করে ধরে।
জানা যায়, জনতা তাদের আটক করার জন্য রাস্তার ওপর ব্যারিকেড তৈরি করে এবং গণপিটুনি শুরু করে। ঘটনায় ট্রাকটিও আগুনে ভস্মীভূত করা হয়। নিহতের নাম শাহীন (৪৫), তিনি রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার মারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও সাতজনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সুপার জানান, “যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।” বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের গণপিটুনির ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলার ওপর প্রভাব ফেলে এবং জনতার মধ্যে আইন ও আদালতের প্রতি আস্থা হ্রাস করে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সোমবার ভোররাতে ডাকাত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিয়েছে, যা নিয়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভোর ২–৩টার মধ্যে সন্দেহভাজনরা একটি মিনি‑ট্রাক বা পিকআপ ভ্যানে গ্রামে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাদের আচরণ অস্বাভাবিক মনে করে ধরে।
জানা যায়, জনতা তাদের আটক করার জন্য রাস্তার ওপর ব্যারিকেড তৈরি করে এবং গণপিটুনি শুরু করে। ঘটনায় ট্রাকটিও আগুনে ভস্মীভূত করা হয়। নিহতের নাম শাহীন (৪৫), তিনি রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার মারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও সাতজনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সুপার জানান, “যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।” বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের গণপিটুনির ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলার ওপর প্রভাব ফেলে এবং জনতার মধ্যে আইন ও আদালতের প্রতি আস্থা হ্রাস করে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন