রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে এক নবম শ্রেণির কিশোরকে অপহরণ করা হয়। শিশুটির নাম আরফান সাঈদ, তিনি ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের ছাত্র। তার বাবা খন্দকার শামীম, সচিবালয়ের কর্মকর্তা। পুলিশ জানিয়েছে, অপহরণকারীরা কিশোরকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে জিম্মি করেছিল।
অপরাধীরা শিশুটিকে একটি নির্মাণাধীন ভবনে আটক রেখে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল। তারা ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে ফোনে হুমকি দিচ্ছিল, যাতে মুক্তিপণ না দেওয়া হলে শিশুটি মারধর বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, অপহরণকারীদের মধ্যে অন্তত ১০–১২ জনের একটি সংগঠিত চক্র রয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার শিশুটির উদ্ধারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চেয়েছিল, যার দ্রুত হস্তক্ষেপে পুলিশ অভিযান শুরু করে। পুলিশের প্রযুক্তি সহায়তা এবং অনুসন্ধানের ফলে কিশোরকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয় এবং পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শিশু উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে চার অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের নাম: তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম, ইশরাক ইয়ামিন লিখন, হাসান আল বান্না ওরফে হাসলাম, এবং মোস্তাফিজ রহমান পুঞ্জ। পুলিশ জানিয়েছে, আরও একজন অভিযুক্ত এখনো বাইরে রয়েছে এবং তাকে ধরা হচ্ছে।
পুলিশের কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনার ফলে দ্রুত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতার গুরুত্ব পুনরায় সামনে এসেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে এক নবম শ্রেণির কিশোরকে অপহরণ করা হয়। শিশুটির নাম আরফান সাঈদ, তিনি ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের ছাত্র। তার বাবা খন্দকার শামীম, সচিবালয়ের কর্মকর্তা। পুলিশ জানিয়েছে, অপহরণকারীরা কিশোরকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে জিম্মি করেছিল।
অপরাধীরা শিশুটিকে একটি নির্মাণাধীন ভবনে আটক রেখে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল। তারা ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে ফোনে হুমকি দিচ্ছিল, যাতে মুক্তিপণ না দেওয়া হলে শিশুটি মারধর বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, অপহরণকারীদের মধ্যে অন্তত ১০–১২ জনের একটি সংগঠিত চক্র রয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার শিশুটির উদ্ধারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চেয়েছিল, যার দ্রুত হস্তক্ষেপে পুলিশ অভিযান শুরু করে। পুলিশের প্রযুক্তি সহায়তা এবং অনুসন্ধানের ফলে কিশোরকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয় এবং পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শিশু উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে চার অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের নাম: তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম, ইশরাক ইয়ামিন লিখন, হাসান আল বান্না ওরফে হাসলাম, এবং মোস্তাফিজ রহমান পুঞ্জ। পুলিশ জানিয়েছে, আরও একজন অভিযুক্ত এখনো বাইরে রয়েছে এবং তাকে ধরা হচ্ছে।
পুলিশের কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনার ফলে দ্রুত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতার গুরুত্ব পুনরায় সামনে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন