চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বৃহস্পতিবার দুপুরে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম নুরজাহান বেগম (৫০)। তিনি কুয়েত প্রবাসী আবুল কালামের স্ত্রী এবং চার সন্তানের মা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থল রূপসা উত্তর ইউনিয়নের একটি বসতঘরের টয়লেট।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতের মেয়ে দুপুরে বাড়িতে এসে টয়লেটের ভেতর গলাকাটা অবস্থায় মাকে পড়ে থাকতে দেখেন। চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপর ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
ফরিদগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মরদেহে গভীর কাটার দাগ রয়েছে, যা স্পষ্টভাবে হত্যার ইঙ্গিত দিচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত চলছে এবং পরিবারের সদস্য ও আশপাশের প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, নুরজাহান ঋণের চাপের মধ্যে ছিলেন এবং মাঝে মাঝে বাড়িতে এনজিও কর্মীরাও আসতেন ঋণের দাবি নিয়ে। তবে পুলিশ এখনো ঘটনার পেছনের সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে পারেনি।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত আছে। ফরিদগঞ্জ থানার কর্মকর্তারা বলেছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার পরই বিস্তারিত তথ্য জনগণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকাবাসী আতঙ্কিত ও চিন্তিত। তারা চাইছেন, দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বৃহস্পতিবার দুপুরে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম নুরজাহান বেগম (৫০)। তিনি কুয়েত প্রবাসী আবুল কালামের স্ত্রী এবং চার সন্তানের মা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থল রূপসা উত্তর ইউনিয়নের একটি বসতঘরের টয়লেট।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতের মেয়ে দুপুরে বাড়িতে এসে টয়লেটের ভেতর গলাকাটা অবস্থায় মাকে পড়ে থাকতে দেখেন। চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপর ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
ফরিদগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মরদেহে গভীর কাটার দাগ রয়েছে, যা স্পষ্টভাবে হত্যার ইঙ্গিত দিচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত চলছে এবং পরিবারের সদস্য ও আশপাশের প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, নুরজাহান ঋণের চাপের মধ্যে ছিলেন এবং মাঝে মাঝে বাড়িতে এনজিও কর্মীরাও আসতেন ঋণের দাবি নিয়ে। তবে পুলিশ এখনো ঘটনার পেছনের সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে পারেনি।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত আছে। ফরিদগঞ্জ থানার কর্মকর্তারা বলেছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার পরই বিস্তারিত তথ্য জনগণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকাবাসী আতঙ্কিত ও চিন্তিত। তারা চাইছেন, দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

আপনার মতামত লিখুন