আজ (২৪ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলার কাঁটাপুকুরিয়া মহল্লা এলাকায় বাড়ির পাশে নাগর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মোস্তাকিম হোসেন (৯) ও জাবের হোসেন (৭) নামের দুই ভাই একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের বাক্স পান। কৌতূহলবশত তারা ওই বাক্সটি বাড়িতে নিয়ে আসে এবং পরে স্থানীয়রা দেখতে পান এর ভেতরে পিস্তলের ৫০ রাউন্ড গুলি ও অস্ত্র পরিষ্কারের সরঞ্জাম ছিল।
প্রাথমিকভাবে শিশুরা বিষয়টি বুঝতে পারেনি, তবে তাদের মা মরিয়ম বেগম বাক্সটি খোলার পর গুলির অস্তিত্ব দেখে স্থানীয় সিংড়া থানাকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাক্সসহ সব গুলি উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গুলির পেছনে ইংরেজি ভাষায় “CBC 32 AUTO” লেখা ছিল, যা পরের তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আ.ব.ম. আব্দুন নূর বলেন, “এ ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। গুলিগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং কতদিন আগে এখানে ফেলা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
এই ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উদ্বেগ তৈরি হলেও পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং নিকট ভবিষ্যতে আরও তথ্য পাওয়া গেলে তা অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ (২৪ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলার কাঁটাপুকুরিয়া মহল্লা এলাকায় বাড়ির পাশে নাগর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মোস্তাকিম হোসেন (৯) ও জাবের হোসেন (৭) নামের দুই ভাই একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের বাক্স পান। কৌতূহলবশত তারা ওই বাক্সটি বাড়িতে নিয়ে আসে এবং পরে স্থানীয়রা দেখতে পান এর ভেতরে পিস্তলের ৫০ রাউন্ড গুলি ও অস্ত্র পরিষ্কারের সরঞ্জাম ছিল।
প্রাথমিকভাবে শিশুরা বিষয়টি বুঝতে পারেনি, তবে তাদের মা মরিয়ম বেগম বাক্সটি খোলার পর গুলির অস্তিত্ব দেখে স্থানীয় সিংড়া থানাকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাক্সসহ সব গুলি উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গুলির পেছনে ইংরেজি ভাষায় “CBC 32 AUTO” লেখা ছিল, যা পরের তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আ.ব.ম. আব্দুন নূর বলেন, “এ ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। গুলিগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং কতদিন আগে এখানে ফেলা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
এই ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উদ্বেগ তৈরি হলেও পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং নিকট ভবিষ্যতে আরও তথ্য পাওয়া গেলে তা অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন