প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হলো ঢাকা–আগরতলা ও কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস সার্ভিস। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রা শুরু করেছে “রয়েল মৈত্রী” নামের এই বাস। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এটি দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ত্রিপুরার পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরি নতুন যাত্রীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এটি দুই দেশের বন্ধুত্ব ও আন্তঃদেশিক সম্পর্কের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাওও এই পুনরায় চালু হওয়া সার্ভিসকে আন্তঃদেশিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বাস সার্ভিস বন্ধ হয়েছিল মূলত বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে। তবে নতুন সরকারের পদক্ষেপে সীমান্তবর্তী ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন অনেক সহজ হয়েছে। বিশেষ করে অখাউড়া সীমান্তে ভিসা পরিষেবার পুনঃস্থাপন ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য সুবিধা সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পুনঃচালু হওয়া বাস সার্ভিস দুই দেশের পর্যটন, ব্যবসা এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ধীরে ধীরে নিয়মিত সেবা শুরু হলে সীমান্তবর্তী যাত্রীদের জন্য এটি অনেক সুবিধা বয়ে আনবে।
দেড় বছর পর ফের চালু হওয়া ঢাকা–আগরতলা বাস সার্ভিস কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হলো ঢাকা–আগরতলা ও কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস সার্ভিস। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রা শুরু করেছে “রয়েল মৈত্রী” নামের এই বাস। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এটি দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ত্রিপুরার পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরি নতুন যাত্রীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এটি দুই দেশের বন্ধুত্ব ও আন্তঃদেশিক সম্পর্কের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাওও এই পুনরায় চালু হওয়া সার্ভিসকে আন্তঃদেশিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বাস সার্ভিস বন্ধ হয়েছিল মূলত বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে। তবে নতুন সরকারের পদক্ষেপে সীমান্তবর্তী ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন অনেক সহজ হয়েছে। বিশেষ করে অখাউড়া সীমান্তে ভিসা পরিষেবার পুনঃস্থাপন ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য সুবিধা সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পুনঃচালু হওয়া বাস সার্ভিস দুই দেশের পর্যটন, ব্যবসা এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ধীরে ধীরে নিয়মিত সেবা শুরু হলে সীমান্তবর্তী যাত্রীদের জন্য এটি অনেক সুবিধা বয়ে আনবে।
দেড় বছর পর ফের চালু হওয়া ঢাকা–আগরতলা বাস সার্ভিস কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন