শেরপুরের নকলা উপজেলার চিথলিয়া পূর্বপাড়া এলাকায় বাড়ির সীমানা ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে কৃষক খোরশেদ (৫০) নিহত হয়েছেন। পুলিশ তিন নারীকে আটক করেছে।
স্থানীয়রা জানান, নিহত খোরশেদ দীর্ঘদিন ধরে তার চাচাতো বোনের স্বামী জুলহাস মিয়ার পরিবারের সঙ্গে বাড়ির সীমানা ও রাস্তার ব্যবহার নিয়ে বিবাদে জড়িয়ে ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পারিবারিক পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, খোরশেদের গলার কাছে চাপ প্রয়োগ করা হয়, ফলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, জুলহাস মিয়ার স্ত্রী জুলেখা বেগম, হাফিজুলের স্ত্রী জোসনা ও জাকিরের স্ত্রী শারমিন আক্তারকে আটক করা হয়েছে। নকলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, খোরশেদকে নীরস বিরোধের জের ধরে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল, যা তার মৃত্যুর কারণ হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, খোরশেদ শ্বাসকষ্ট ও উত্তেজনার কারণে পড়ে গিয়েছিলেন এবং তাদের উদ্দেশ্য কোনো হত্যার ছিল না।
স্থানীয়রা হত্যাকাণ্ডকে কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পারিবারিক বিরোধ কমানোর জন্য প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেরপুরের নকলা উপজেলার চিথলিয়া পূর্বপাড়া এলাকায় বাড়ির সীমানা ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে কৃষক খোরশেদ (৫০) নিহত হয়েছেন। পুলিশ তিন নারীকে আটক করেছে।
স্থানীয়রা জানান, নিহত খোরশেদ দীর্ঘদিন ধরে তার চাচাতো বোনের স্বামী জুলহাস মিয়ার পরিবারের সঙ্গে বাড়ির সীমানা ও রাস্তার ব্যবহার নিয়ে বিবাদে জড়িয়ে ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পারিবারিক পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, খোরশেদের গলার কাছে চাপ প্রয়োগ করা হয়, ফলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, জুলহাস মিয়ার স্ত্রী জুলেখা বেগম, হাফিজুলের স্ত্রী জোসনা ও জাকিরের স্ত্রী শারমিন আক্তারকে আটক করা হয়েছে। নকলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, খোরশেদকে নীরস বিরোধের জের ধরে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল, যা তার মৃত্যুর কারণ হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, খোরশেদ শ্বাসকষ্ট ও উত্তেজনার কারণে পড়ে গিয়েছিলেন এবং তাদের উদ্দেশ্য কোনো হত্যার ছিল না।
স্থানীয়রা হত্যাকাণ্ডকে কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পারিবারিক বিরোধ কমানোর জন্য প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন