ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় পোশাক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস হত্যার মামলায় পুলিশ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। হত্যার ঘটনা ঘটে ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ রাতে।
জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. বাবলু মিয়া (২৪), ডুবালিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করা হয় এবং গত রোববার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পলাতক অন্যান্য আসামিদের ধরার চেষ্টা এখনও চলমান।
মামলার নিহত দীপু চন্দ্র দাস (২৭) ছিলেন স্থানীয় একটি পোশাক কারখানার কর্মী। হত্যার ঘটনায় তাকে দলবদ্ধভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং মৃতদেহ গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে।
স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ধর্মীয় ও সামাজিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এটি সংবেদনশীল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় পোশাক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস হত্যার মামলায় পুলিশ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। হত্যার ঘটনা ঘটে ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ রাতে।
জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. বাবলু মিয়া (২৪), ডুবালিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করা হয় এবং গত রোববার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পলাতক অন্যান্য আসামিদের ধরার চেষ্টা এখনও চলমান।
মামলার নিহত দীপু চন্দ্র দাস (২৭) ছিলেন স্থানীয় একটি পোশাক কারখানার কর্মী। হত্যার ঘটনায় তাকে দলবদ্ধভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং মৃতদেহ গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে।
স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ধর্মীয় ও সামাজিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এটি সংবেদনশীল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন