নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের জাবরিপাড়া এলাকায় এক আদিবাসী তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনা শনিবার রাতের দিকে ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিয়েবাড়ি অনুষ্ঠানের সময় ভুক্তভোগীকে কৌশলে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পাশ্ববর্তী একটি জায়গায় তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। পরে ভুক্তভোগী স্থানীয়দের সাহায্য পেয়ে পরিবারের কাছে বিষয়টি জানায়।
নিয়ামতপুর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে রবিবার সকাল ১১টার দিকে অনুপ সরেণ (২০), চিরঞ্জন হাসদা (১৯) ও প্রশান্ত সরেণ (১৯) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ প্রমাণ সংগ্রহ ও তথ্য যাচাই করে অভিযানে নামে। তিনি বলেন, “তদন্ত চলমান রয়েছে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বাংলাদেশে ধর্ষণ, বিশেষ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন‑২০০০ সহ অন্যান্য আইন রয়েছে। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জেল, জরিমানা, এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত শাস্তি হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং এমন নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের জাবরিপাড়া এলাকায় এক আদিবাসী তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনা শনিবার রাতের দিকে ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিয়েবাড়ি অনুষ্ঠানের সময় ভুক্তভোগীকে কৌশলে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পাশ্ববর্তী একটি জায়গায় তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। পরে ভুক্তভোগী স্থানীয়দের সাহায্য পেয়ে পরিবারের কাছে বিষয়টি জানায়।
নিয়ামতপুর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে রবিবার সকাল ১১টার দিকে অনুপ সরেণ (২০), চিরঞ্জন হাসদা (১৯) ও প্রশান্ত সরেণ (১৯) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ প্রমাণ সংগ্রহ ও তথ্য যাচাই করে অভিযানে নামে। তিনি বলেন, “তদন্ত চলমান রয়েছে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বাংলাদেশে ধর্ষণ, বিশেষ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন‑২০০০ সহ অন্যান্য আইন রয়েছে। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জেল, জরিমানা, এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত শাস্তি হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং এমন নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন