মুকসুদপুর উপজেলাতে দীর্ঘ ১৯ মাস পর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার সকালে উপজেলা সদরের চৌরঙ্গী এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর দলীয় কার্যালয়ের সামনে পতাকা উড়তে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ রাজ, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ও সমর্থক এ পতাকা উত্তোলন করেন।
এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ রাজ ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামের ফেসবুক আইডিতে পতাকা উত্তোলনের ছবি পোস্ট করা হলে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে জানতে রোববার বিকেলে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ রাজের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে সকালে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলে দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে উপজেলা কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল এবং এলাকায় প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুকসুদপুর উপজেলাতে দীর্ঘ ১৯ মাস পর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার সকালে উপজেলা সদরের চৌরঙ্গী এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর দলীয় কার্যালয়ের সামনে পতাকা উড়তে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ রাজ, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ও সমর্থক এ পতাকা উত্তোলন করেন।
এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ রাজ ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামের ফেসবুক আইডিতে পতাকা উত্তোলনের ছবি পোস্ট করা হলে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে জানতে রোববার বিকেলে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ রাজের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে সকালে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলে দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে উপজেলা কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল এবং এলাকায় প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন