ডাকাতের হামলায় মাংস বিক্রেতা নিহত, তিনজন আহত শনিবার রাতে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের শাহ্ ওমর মাজার সংলগ্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলায় একটি মাংস ব্যবসায়ী নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। ঘটনাটির সময় ছিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত মোহাম্মদ মুজিব (৪০) কসাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশায় মাংস বিক্রেতা ছিলেন। তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা তিনজন ব্যক্তি মো. আরিফ (২৮), মোজাম্মেল (৪৫) ও মোহাম্মদ খোরশেদ (৪০) শাহ্ ওমর মাজার থেকে দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে আচমকা একদল সশস্ত্র ডাকাত তাদের পথরোধ করেন।
ডাকাতরা চারজনকে জিম্মি করে টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নেয় এবং পরে তাদের হাত-পা বেঁধে ঘটনাস্থলের পাশের তামাক খেতে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়।
কিছু সময় পর মো. আরিফ বেঁচে হাত খুলে স্থানীয়দের খবর দেন এবং পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহাম্মদ মুজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে দু’জন বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
এ ঘটনার পর স্থানীয়রা নিরাপত্তা জোরদার ও দ্রুত চার্জশিট/গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন সহিংস অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ডাকাতের হামলায় মাংস বিক্রেতা নিহত, তিনজন আহত শনিবার রাতে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের শাহ্ ওমর মাজার সংলগ্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলায় একটি মাংস ব্যবসায়ী নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। ঘটনাটির সময় ছিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত মোহাম্মদ মুজিব (৪০) কসাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশায় মাংস বিক্রেতা ছিলেন। তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা তিনজন ব্যক্তি মো. আরিফ (২৮), মোজাম্মেল (৪৫) ও মোহাম্মদ খোরশেদ (৪০) শাহ্ ওমর মাজার থেকে দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে আচমকা একদল সশস্ত্র ডাকাত তাদের পথরোধ করেন।
ডাকাতরা চারজনকে জিম্মি করে টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নেয় এবং পরে তাদের হাত-পা বেঁধে ঘটনাস্থলের পাশের তামাক খেতে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়।
কিছু সময় পর মো. আরিফ বেঁচে হাত খুলে স্থানীয়দের খবর দেন এবং পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহাম্মদ মুজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে দু’জন বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
এ ঘটনার পর স্থানীয়রা নিরাপত্তা জোরদার ও দ্রুত চার্জশিট/গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন সহিংস অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন