কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার রাত প্রায় ৩টা ৩০ মিনিটের দিকে একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। পরে আগুন দ্রুত পাশের দুইটি দোকানে একটি কম্পিউটার ও ফটোকপি সার্ভিস সেন্টার এবং একটি ফার্মেসিতে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনা প্রত্যক্ষ করা এলাকাবাসীরা জানান, প্রথমে তারা নিজ উদ্যোগে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার আলী হোসেন জানান, আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তিনি আরও জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নির্ধারণ করা হবে।
অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া তিন দোকানের মালিকদের দাবি, অন্তত ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ফার্নিচারের দোকানে থাকা কাঠ, তৈরি আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে ফায়ার সার্ভিস নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার রাত প্রায় ৩টা ৩০ মিনিটের দিকে একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। পরে আগুন দ্রুত পাশের দুইটি দোকানে একটি কম্পিউটার ও ফটোকপি সার্ভিস সেন্টার এবং একটি ফার্মেসিতে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনা প্রত্যক্ষ করা এলাকাবাসীরা জানান, প্রথমে তারা নিজ উদ্যোগে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার আলী হোসেন জানান, আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তিনি আরও জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নির্ধারণ করা হবে।
অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া তিন দোকানের মালিকদের দাবি, অন্তত ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ফার্নিচারের দোকানে থাকা কাঠ, তৈরি আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে ফায়ার সার্ভিস নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন