কুড়িগ্রামের উলিপুরে এক নবীন যুবক আত্মহত্যা করেছেন। নিহতের নাম আবুল কালাম আজাদ (১৯)। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন বেকারত্ব এবং মানসিক চাপের কারণে শুক্রবার ভোর রাতে তিনি নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে এই চরম সিদ্ধান্ত নেন।
আবুল কালাম আত্মহত্যার আগে একটি চিরকুট লিখেছেন, যেখানে তিনি পরিবারের উদ্দেশে বলেন, “আমার মতো ছেলে পেয়ে তোমরা একটুও সুখী না, কারণ আমি বেকার। সারাজীবন তোমাদের কাছ থেকেই খেয়েছি, কখনো তোমাদের খাওয়াতে পারিনি। আমাকে মাফ করে দিও। আমার জন্য দোয়া করো। আর আমার মতো ছেলে যেন কোনো পরিবারে না জন্মে এই দোয়া করি।” চিরকুটে তার হতাশা ও দুঃখের প্রকাশ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে ধরা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, আবুল কালাম বেশিরভাগ সময়ই মানসিকভাবে চাপের মধ্যে ছিলেন।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেকারত্ব ও সামাজিক চাপের কারণে অনেক তরুণ মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এ ধরনের ঘটনায় যুবসমাজের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবার ও সমাজের সমর্থন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
স্থানীয় পরিবার ও প্রতিবেশীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনা যুবসমাজকে সতর্কবার্তা দিচ্ছে যে, শুধুমাত্র শিক্ষা ও পারিবারিক সমর্থনই যথেষ্ট নয়; মানসিক স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুড়িগ্রামের উলিপুরে এক নবীন যুবক আত্মহত্যা করেছেন। নিহতের নাম আবুল কালাম আজাদ (১৯)। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন বেকারত্ব এবং মানসিক চাপের কারণে শুক্রবার ভোর রাতে তিনি নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে এই চরম সিদ্ধান্ত নেন।
আবুল কালাম আত্মহত্যার আগে একটি চিরকুট লিখেছেন, যেখানে তিনি পরিবারের উদ্দেশে বলেন, “আমার মতো ছেলে পেয়ে তোমরা একটুও সুখী না, কারণ আমি বেকার। সারাজীবন তোমাদের কাছ থেকেই খেয়েছি, কখনো তোমাদের খাওয়াতে পারিনি। আমাকে মাফ করে দিও। আমার জন্য দোয়া করো। আর আমার মতো ছেলে যেন কোনো পরিবারে না জন্মে এই দোয়া করি।” চিরকুটে তার হতাশা ও দুঃখের প্রকাশ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে ধরা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, আবুল কালাম বেশিরভাগ সময়ই মানসিকভাবে চাপের মধ্যে ছিলেন।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেকারত্ব ও সামাজিক চাপের কারণে অনেক তরুণ মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এ ধরনের ঘটনায় যুবসমাজের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবার ও সমাজের সমর্থন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
স্থানীয় পরিবার ও প্রতিবেশীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনা যুবসমাজকে সতর্কবার্তা দিচ্ছে যে, শুধুমাত্র শিক্ষা ও পারিবারিক সমর্থনই যথেষ্ট নয়; মানসিক স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন