সেন্টমার্টিন দ্বীপে কেয়াবনের গাছ কেটে রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর মামলা দায়ের করেছে। টেকনাফ মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. মুসাইব ইবনে রহমানের মাধ্যমে। মামলায় দুইজনকে আসামি করা হয়েছে দক্ষিণপাড়া এলাকার কেফায়েত আল্লাহ ও রিসোর্ট মালিক নুর মোহাম্মদ খান।
পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল ১৯ ফেব্রুয়ারি ঘটনাস্থলে গিয়ে কেয়াবন গাছ কাটার বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে। তারা অনিয়ন্ত্রিত স্থাপনা নির্মাণ ও বন উজাড়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখে এবং মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের মতে, সেন্টমার্টিনে কেয়াবনের ব্যাপক ধ্বংস নতুন ঘটনা নয়। হোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের জন্য পূর্বেও কেয়াবনের বড় অংশ উজাড় করা হয়েছে। এর ফলে দ্বীপের বনক্ষেত্র কমে গেছে এবং ভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলেন, কেয়াবন বন সেন্টমার্টিনে মাটিকে ধরে রাখে, ভাঙন কমায় এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন উজাড়ের ফলে সমুদ্রপ্রবাহ ও জলোচ্ছ্বাসের প্রভাব বাড়ে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে এই ধরনের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করে থাকে। এই মামলার মাধ্যমে প্রশাসন দ্বীপের বন সংরক্ষণ এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মনোযোগী হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সেন্টমার্টিন দ্বীপে কেয়াবনের গাছ কেটে রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর মামলা দায়ের করেছে। টেকনাফ মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. মুসাইব ইবনে রহমানের মাধ্যমে। মামলায় দুইজনকে আসামি করা হয়েছে দক্ষিণপাড়া এলাকার কেফায়েত আল্লাহ ও রিসোর্ট মালিক নুর মোহাম্মদ খান।
পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল ১৯ ফেব্রুয়ারি ঘটনাস্থলে গিয়ে কেয়াবন গাছ কাটার বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে। তারা অনিয়ন্ত্রিত স্থাপনা নির্মাণ ও বন উজাড়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখে এবং মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের মতে, সেন্টমার্টিনে কেয়াবনের ব্যাপক ধ্বংস নতুন ঘটনা নয়। হোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের জন্য পূর্বেও কেয়াবনের বড় অংশ উজাড় করা হয়েছে। এর ফলে দ্বীপের বনক্ষেত্র কমে গেছে এবং ভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলেন, কেয়াবন বন সেন্টমার্টিনে মাটিকে ধরে রাখে, ভাঙন কমায় এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন উজাড়ের ফলে সমুদ্রপ্রবাহ ও জলোচ্ছ্বাসের প্রভাব বাড়ে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে এই ধরনের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করে থাকে। এই মামলার মাধ্যমে প্রশাসন দ্বীপের বন সংরক্ষণ এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মনোযোগী হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন