প্রায় ৩১ বছর পলাতক থাকার পর রংপুরের মিঠাপুকুর ও বদরগঞ্জ এলাকা থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন‑১৩ (র্যাব)। গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম শফি উদ্দিন, যিনি ১৯৯৫ সালে তার ফুফাতো বোনকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।
মামলার পর আদালতের রায় কার্যকর না হওয়ায় শফি উদ্দিন দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে বদরগঞ্জ এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। সম্প্রতি র্যাব একটি গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাশে ধরা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে মিঠাপুকুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারটি দীর্ঘমেয়াদি অনুসন্ধান ও দায়িত্বশীল পুলিশি তৎপরতার ফলাফল। এই ঘটনায় আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, আদালতের রায় দীর্ঘ সময় পরেও কার্যকর হতে পারে, আর অপরাধী যতদিনই পলাতক থাকুক, শেষ পর্যন্ত আইন শৃঙ্খলার আওতায় আসে।
স্থানীয়রা এ ঘটনার প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকারিতা প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ বলছেন, দীর্ঘ সময় পলাতক থাকা অপরাধীকে ধরার পর সামাজিক প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। গ্রেপ্তারের পর শফি উদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতের রায় প্রয়োগের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রায় ৩১ বছর পলাতক থাকার পর রংপুরের মিঠাপুকুর ও বদরগঞ্জ এলাকা থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন‑১৩ (র্যাব)। গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম শফি উদ্দিন, যিনি ১৯৯৫ সালে তার ফুফাতো বোনকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।
মামলার পর আদালতের রায় কার্যকর না হওয়ায় শফি উদ্দিন দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে বদরগঞ্জ এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। সম্প্রতি র্যাব একটি গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাশে ধরা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে মিঠাপুকুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারটি দীর্ঘমেয়াদি অনুসন্ধান ও দায়িত্বশীল পুলিশি তৎপরতার ফলাফল। এই ঘটনায় আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, আদালতের রায় দীর্ঘ সময় পরেও কার্যকর হতে পারে, আর অপরাধী যতদিনই পলাতক থাকুক, শেষ পর্যন্ত আইন শৃঙ্খলার আওতায় আসে।
স্থানীয়রা এ ঘটনার প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকারিতা প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ বলছেন, দীর্ঘ সময় পলাতক থাকা অপরাধীকে ধরার পর সামাজিক প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। গ্রেপ্তারের পর শফি উদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতের রায় প্রয়োগের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন