গাজীপুরে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। ট্রেনের ধাক্কায় তার ডান হাত ও ডান পা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
আহত কর্মকর্তা মো. হাবিব, বয়স প্রায় ৪০ বছর, গাজীপুর জেলা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তিনি রেললাইন পারাপারের সময় মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। ট্রেনের আওয়াজ বুঝতে না পারায় তিনি সময়মতো সরতে পারেননি এবং ট্রেনের নিচে পড়ে যান।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার গুরুতরতার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। জেলা পুলিশ সুপার আহত সহকর্মীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টারও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, রেললাইনে সতর্কতার অভাব এবং ফোনে মনোযোগ দেওয়ার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজীপুরে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। ট্রেনের ধাক্কায় তার ডান হাত ও ডান পা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
আহত কর্মকর্তা মো. হাবিব, বয়স প্রায় ৪০ বছর, গাজীপুর জেলা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তিনি রেললাইন পারাপারের সময় মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। ট্রেনের আওয়াজ বুঝতে না পারায় তিনি সময়মতো সরতে পারেননি এবং ট্রেনের নিচে পড়ে যান।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার গুরুতরতার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। জেলা পুলিশ সুপার আহত সহকর্মীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টারও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, রেললাইনে সতর্কতার অভাব এবং ফোনে মনোযোগ দেওয়ার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন