ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই এখন আলোচনায় উঠে এসেছে জামানত হারানো প্রার্থীদের নাম। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ (১২.৫%) সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়ে চুয়াডাঙ্গায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দু’টি আসনের দুই প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই দুটি আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন জহুরুল ইসলাম আজিজী ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে প্রার্থী ছিলেন হাসানুজ্জামান সজীব। দুটি আসনেই মাট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি একজনও। ফলে নির্বাচন বিধি অনুযায়ী উভয় প্রার্থীই জামানত হারালেন।
এদিকে, জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আহম্মদ আলী জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের মধ্যে যারা মোট বৈধ ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ কম ভোট পান, তাদের জামানত ফেরত দেওয়া হয় না। এ বিধান অনুযায়ী ইসলামী আন্দোলনের দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা দুটি সংসদীয় আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলের জোটের মনোনীত সংসদ প্রার্থী অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল ২ লাখ ১১ হাজার ৪১টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শরীফুজ্জামান শরীফ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩টি ভোট। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ১০ হাজার ১২২টি ভোট পেয়েছেন।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জয় এসেছে বড় ব্যবধানে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলের জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. রুহুল আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৮ হাজার ১১টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৭টি ভোট পেয়েছেন। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. হাসানুজ্জামান সজীব হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৭৪টি ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা শাখার স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন, ভোটের পরিবেশ ও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। আমারা আগামীতে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই এখন আলোচনায় উঠে এসেছে জামানত হারানো প্রার্থীদের নাম। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ (১২.৫%) সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়ে চুয়াডাঙ্গায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দু’টি আসনের দুই প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই দুটি আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন জহুরুল ইসলাম আজিজী ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে প্রার্থী ছিলেন হাসানুজ্জামান সজীব। দুটি আসনেই মাট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি একজনও। ফলে নির্বাচন বিধি অনুযায়ী উভয় প্রার্থীই জামানত হারালেন।
এদিকে, জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আহম্মদ আলী জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের মধ্যে যারা মোট বৈধ ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ কম ভোট পান, তাদের জামানত ফেরত দেওয়া হয় না। এ বিধান অনুযায়ী ইসলামী আন্দোলনের দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা দুটি সংসদীয় আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলের জোটের মনোনীত সংসদ প্রার্থী অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল ২ লাখ ১১ হাজার ৪১টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শরীফুজ্জামান শরীফ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩টি ভোট। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ১০ হাজার ১২২টি ভোট পেয়েছেন।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জয় এসেছে বড় ব্যবধানে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলের জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. রুহুল আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৮ হাজার ১১টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৭টি ভোট পেয়েছেন। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. হাসানুজ্জামান সজীব হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৭৪টি ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা শাখার স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন, ভোটের পরিবেশ ও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। আমারা আগামীতে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবো।

আপনার মতামত লিখুন