মৌসুমী ফলের কদর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং জেলার ফলের বাজারে আজ ভোর থেকেই জমজমাট বেচাকেনা লক্ষ্য করা গেছে। উপজেলা ফলের আড়তগুলোতে পাইকার ও আড়তদাররা সকাল থেকেই ফল কিনতে আসছেন, যা বাজারে সরবরাহ এবং বিক্রয় কার্যক্রমকে গতিশীল করেছে।
মোস্তফাপুরসহ জেলার বিভিন্ন প্রধান ফলের আড়তে তরমুজ, ফুটি, আনারসসহ বিভিন্ন রসালো মৌসুমী ফল সরবরাহ হচ্ছে। বিভিন্ন জেলায় থেকে পাইকাররা এখানে আসছেন কারণ এই অঞ্চলে ফলের দাম তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, ফলে তারা লাভের সাথে ফল সংগ্রহ করতে পারছেন।
এই ফলের বাজারে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী তরমুজের পাইকারি দাম প্রতিটি টুকরায় প্রায় ২৫০–৩০০ টাকা, আনারস ১৮–২৫ টাকা, ফুটি ৩০–৬০ টাকা এবং পেয়ারা ৩০–৬০ টাকা/কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আপেল, খেজুর, আঙ্গুর, কমলা সহ অন্যান্য বিভিন্ন রকম ফলও পাওয়া যাচ্ছে।
কয়েকজন পাইকার জানিয়েছেন যে সরাসরি মাদারীপুর থেকে তাদের জেলা বাজারে ফল বিক্রি করলে লাভ বেশি হয়, এবং এখানে ফলের দাম স্বাভাবিক থাকায় তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম গতিশীল হচ্ছে। আড়তদাররাও মন্তব্য করেছেন, মৌসুমের শুরুতেই ফলন ভালো থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, এবং ফলের সরবরাহও স্বাভাবিক।
উল্লেখ্য, মাদারীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানান যে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন নিয়মিত বাজার মনিটরিং চালাচ্ছে; দাম বেশি থাকলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ক্রেতারা স্বাভাবিক দামে ফল পেতে পারেন।
আজকের এই পরিস্থিতি থেকে বোঝা যাচ্ছে, সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল থাকার কারণে মাদারীপুরে মৌসুমী ফলের কদর বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে অর্থনৈতিকভাবে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হচ্ছেন এবং সাধারণ ক্রেতারাও স্বস্তিকর মূল্যে মৌসুমী ফল পাচ্ছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মৌসুমী ফলের কদর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং জেলার ফলের বাজারে আজ ভোর থেকেই জমজমাট বেচাকেনা লক্ষ্য করা গেছে। উপজেলা ফলের আড়তগুলোতে পাইকার ও আড়তদাররা সকাল থেকেই ফল কিনতে আসছেন, যা বাজারে সরবরাহ এবং বিক্রয় কার্যক্রমকে গতিশীল করেছে।
মোস্তফাপুরসহ জেলার বিভিন্ন প্রধান ফলের আড়তে তরমুজ, ফুটি, আনারসসহ বিভিন্ন রসালো মৌসুমী ফল সরবরাহ হচ্ছে। বিভিন্ন জেলায় থেকে পাইকাররা এখানে আসছেন কারণ এই অঞ্চলে ফলের দাম তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, ফলে তারা লাভের সাথে ফল সংগ্রহ করতে পারছেন।
এই ফলের বাজারে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী তরমুজের পাইকারি দাম প্রতিটি টুকরায় প্রায় ২৫০–৩০০ টাকা, আনারস ১৮–২৫ টাকা, ফুটি ৩০–৬০ টাকা এবং পেয়ারা ৩০–৬০ টাকা/কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আপেল, খেজুর, আঙ্গুর, কমলা সহ অন্যান্য বিভিন্ন রকম ফলও পাওয়া যাচ্ছে।
কয়েকজন পাইকার জানিয়েছেন যে সরাসরি মাদারীপুর থেকে তাদের জেলা বাজারে ফল বিক্রি করলে লাভ বেশি হয়, এবং এখানে ফলের দাম স্বাভাবিক থাকায় তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম গতিশীল হচ্ছে। আড়তদাররাও মন্তব্য করেছেন, মৌসুমের শুরুতেই ফলন ভালো থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, এবং ফলের সরবরাহও স্বাভাবিক।
উল্লেখ্য, মাদারীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানান যে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন নিয়মিত বাজার মনিটরিং চালাচ্ছে; দাম বেশি থাকলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ক্রেতারা স্বাভাবিক দামে ফল পেতে পারেন।
আজকের এই পরিস্থিতি থেকে বোঝা যাচ্ছে, সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল থাকার কারণে মাদারীপুরে মৌসুমী ফলের কদর বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে অর্থনৈতিকভাবে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হচ্ছেন এবং সাধারণ ক্রেতারাও স্বস্তিকর মূল্যে মৌসুমী ফল পাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন