রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত যাত্রাবাড়ীর কাজলা স্কুল গলিতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ছাত্র মো. মাহিম মিয়া (১৫) স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। মাহিম মূলত কিশোরগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা হলেও পরিবার বর্তমানে যাত্রাবাড়ীতে বসবাস করছিল।
স্থানীয়রা জানান, মাহিম রাতের বেলা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিল। পথে হঠাৎ ১০-১২ জনের একটি গ্রুপ তাকে লক্ষ্য করে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের পরিবার জানান, তারা এখনও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানে না। কেন মাহিমকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হলো তা স্পষ্ট নয়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ পরিদর্শক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকা সাধারণত শান্ত হলেও রাতের বেলা এককভাবে বাইরে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। একই সঙ্গে নিহতের হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে এবং নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান তোলা হয়েছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজনদের শনাক্তের চেষ্টা শুরু করেছে এবং নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত যাত্রাবাড়ীর কাজলা স্কুল গলিতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ছাত্র মো. মাহিম মিয়া (১৫) স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। মাহিম মূলত কিশোরগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা হলেও পরিবার বর্তমানে যাত্রাবাড়ীতে বসবাস করছিল।
স্থানীয়রা জানান, মাহিম রাতের বেলা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিল। পথে হঠাৎ ১০-১২ জনের একটি গ্রুপ তাকে লক্ষ্য করে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের পরিবার জানান, তারা এখনও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানে না। কেন মাহিমকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হলো তা স্পষ্ট নয়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ পরিদর্শক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকা সাধারণত শান্ত হলেও রাতের বেলা এককভাবে বাইরে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। একই সঙ্গে নিহতের হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে এবং নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান তোলা হয়েছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজনদের শনাক্তের চেষ্টা শুরু করেছে এবং নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন