জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
পোস্টে তিনি লেখেন, "আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং সার্বিক কার্যক্রমে ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করবে ছায়া মন্ত্রিসভা।"
এর আগে শনিবার রাতে সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
পোস্টে শিশির মনির লিখেছিলেন, "আমরা ছায়া মন্ত্রিপরিষদ গঠন করব ইনশাআল্লাহ।"
উল্লেখ্য, সংসদীয় গণতন্ত্রে 'ছায়া মন্ত্রিসভা' হলো বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে গঠিত একটি বিকল্প কাঠামো, যা ক্ষমতাসীন সরকারের সমান্তরালে কাজ করে। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা, ভুলত্রুটি চিহ্নিত করা এবং জনস্বার্থে বিকল্প নীতি প্রস্তাব করা। যদিও ছায়া মন্ত্রিসভার কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না, তবে এটি সরকারকে নিয়মিত জবাবদিহির আওতায় রাখে এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
পোস্টে তিনি লেখেন, "আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং সার্বিক কার্যক্রমে ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করবে ছায়া মন্ত্রিসভা।"
এর আগে শনিবার রাতে সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
পোস্টে শিশির মনির লিখেছিলেন, "আমরা ছায়া মন্ত্রিপরিষদ গঠন করব ইনশাআল্লাহ।"
উল্লেখ্য, সংসদীয় গণতন্ত্রে 'ছায়া মন্ত্রিসভা' হলো বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে গঠিত একটি বিকল্প কাঠামো, যা ক্ষমতাসীন সরকারের সমান্তরালে কাজ করে। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা, ভুলত্রুটি চিহ্নিত করা এবং জনস্বার্থে বিকল্প নীতি প্রস্তাব করা। যদিও ছায়া মন্ত্রিসভার কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না, তবে এটি সরকারকে নিয়মিত জবাবদিহির আওতায় রাখে এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখে।

আপনার মতামত লিখুন