ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগের দিন আজ বুধবার চট্টগ্রাম নগরী প্রায় ফাঁকা দেখা গেছে। নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল খুবই কম ছিল এবং অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষই রাস্তায় দেখা গেছে। শহরের প্রধান মোড়-বিপণী এলাকা যেমন বহদ্দারহাট, চকবাজার, জামালখান মোড় প্রায় শুনশান ছিল। নগরীর মানুষের অনেকেই নিজের গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন যাতে আগামীকাল ভোট দিতে সুবিধা হয়। শাহ আমানাত সেতুর এলাকায় মঙ্গলবার বিকেল থেকেই গাড়ি ও মানুষের প্রবাহ লক্ষ্য করা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে মোট ১৬টি আসনে ১১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ভোটপরিকল্পনার উপরে নজর রাখার কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নগরীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শহরের বিভিন্ন মোড়ে টহল দিচ্ছে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দিকে নজর রাখছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নির্দেশনায় নিরাপত্তা বলয় তৈরি ও পরিদর্শন জোরদার করা হয়েছে।
বিভিন্ন কেন্দ্রে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিনরাত কাজ চলছে। জাতীয় পর্যায়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যসহ প্রায় দুই লাখেরও বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হবে, যারা কেন্দ্রের আশপাশের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে ব্যালট বাক্সসহ ভোটের সরঞ্জাম ইতোমধ্যেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে পৌঁছেছে। সহায়তা কর্মী থেকে স্থানীয় প্রশাসন, সকলেই নিরাপত্তা সহকারে সরঞ্জাম বিতরণ ও সংগঠনের কাজ তদারকি করছে। চিফ অব পুলিশসহ প্রশাসনিক কর্তারা জানিয়েছেন যে প্রতিটি কেন্দ্রেই তিন-স্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু থাকবে, যেখানে স্থির, মোবাইল ও তৎপর ইউনিট সব সময় প্রস্তুত থাকবে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
ভোট দিতে ফিরে আসা নাগরিকদের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। অনেকেই বলেছেন, “প্রথমবার ভোট দেব বলে ভালো লাগছে এবং আশা করি পরিবেশ শান্ত ও স্বচ্ছ হবে।” তবে নির্বাচনকে ঘিরে গত কিছু সময় ধরে কিছু সহিংস ঘটনা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশিত হয়েছে, যার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও সচেতন হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে।
আজ চট্টগ্রামে ভোটের আগের দিন শহর ফাঁকা ও জনসমাগম কম দেখা গেছে। মানুষ গ্রামে ফিরেছেন, দোকানপাট বন্ধ রয়েছে এবং সাধারণ পরিবেশ ইতিহাসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে শান্তিপূর্ণ বলে অভিহিত হচ্ছে। প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় ভোটারদের নিরাপদ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করছে। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, আগামীকাল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্দিষ্ট হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগের দিন আজ বুধবার চট্টগ্রাম নগরী প্রায় ফাঁকা দেখা গেছে। নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল খুবই কম ছিল এবং অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষই রাস্তায় দেখা গেছে। শহরের প্রধান মোড়-বিপণী এলাকা যেমন বহদ্দারহাট, চকবাজার, জামালখান মোড় প্রায় শুনশান ছিল। নগরীর মানুষের অনেকেই নিজের গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন যাতে আগামীকাল ভোট দিতে সুবিধা হয়। শাহ আমানাত সেতুর এলাকায় মঙ্গলবার বিকেল থেকেই গাড়ি ও মানুষের প্রবাহ লক্ষ্য করা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে মোট ১৬টি আসনে ১১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ভোটপরিকল্পনার উপরে নজর রাখার কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নগরীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শহরের বিভিন্ন মোড়ে টহল দিচ্ছে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দিকে নজর রাখছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নির্দেশনায় নিরাপত্তা বলয় তৈরি ও পরিদর্শন জোরদার করা হয়েছে।
বিভিন্ন কেন্দ্রে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিনরাত কাজ চলছে। জাতীয় পর্যায়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যসহ প্রায় দুই লাখেরও বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হবে, যারা কেন্দ্রের আশপাশের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে ব্যালট বাক্সসহ ভোটের সরঞ্জাম ইতোমধ্যেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে পৌঁছেছে। সহায়তা কর্মী থেকে স্থানীয় প্রশাসন, সকলেই নিরাপত্তা সহকারে সরঞ্জাম বিতরণ ও সংগঠনের কাজ তদারকি করছে। চিফ অব পুলিশসহ প্রশাসনিক কর্তারা জানিয়েছেন যে প্রতিটি কেন্দ্রেই তিন-স্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু থাকবে, যেখানে স্থির, মোবাইল ও তৎপর ইউনিট সব সময় প্রস্তুত থাকবে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
ভোট দিতে ফিরে আসা নাগরিকদের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। অনেকেই বলেছেন, “প্রথমবার ভোট দেব বলে ভালো লাগছে এবং আশা করি পরিবেশ শান্ত ও স্বচ্ছ হবে।” তবে নির্বাচনকে ঘিরে গত কিছু সময় ধরে কিছু সহিংস ঘটনা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশিত হয়েছে, যার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও সচেতন হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে।
আজ চট্টগ্রামে ভোটের আগের দিন শহর ফাঁকা ও জনসমাগম কম দেখা গেছে। মানুষ গ্রামে ফিরেছেন, দোকানপাট বন্ধ রয়েছে এবং সাধারণ পরিবেশ ইতিহাসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে শান্তিপূর্ণ বলে অভিহিত হচ্ছে। প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় ভোটারদের নিরাপদ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করছে। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, আগামীকাল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্দিষ্ট হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন