আসন্ন পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে দেশের বাজারে ভোজ্যতেল ও মুরগির দাম কিছুটা বাড়লেও সরবরাহ বাড়ায় কমতে শুরু করেছে সবজি ও ডিমের দাম। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম মণপ্রতি প্রায় ৩০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের বুকিং রেট টনপ্রতি ১৫০ ডলার বাড়লেও আমদানিকারকদের মতে, সেই মালের প্রভাব এখনো বাজারে পড়ার কথা নয়। মূলত অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি এবং কোম্পানিগুলো ডিলারদের কমিশন কমিয়ে দেওয়ায় খুচরা বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন কোম্পানি ভেদে ৯৩০ থেকে ৯৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগেও অন্তত ২৫ টাকা কম ছিল।
রমজানে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় তিন লাখ টন হলেও দেশে আমদানির পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসেই প্রায় পৌনে চার লাখ টন তেল আমদানি হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে আরও এক লাখ টন খালাসের অপেক্ষায় আছে। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও রহস্যজনকভাবে দাম বাড়ায় সরকারের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ভোজ্যতেলে অস্থিরতা থাকলেও ডাল ও চিনির মতো অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
অন্যদিকে কাঁচাবাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়লেও ডিমের দাম ডজনে ৫ টাকা কমেছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে, রমজানকে কেন্দ্র করে নিত্যপণ্যের মজুত ও সরবরাহ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক। যদি বাজার তদারকি জোরদার করা যায়, তবে রমজানে দাম নতুন করে বাড়ার সম্ভাবনা কম। আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট বাড়ার দোহাই দিয়ে এখনই দেশের বাজারে দাম বাড়ানোকে অযৌক্তিক বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে দেশের বাজারে ভোজ্যতেল ও মুরগির দাম কিছুটা বাড়লেও সরবরাহ বাড়ায় কমতে শুরু করেছে সবজি ও ডিমের দাম। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম মণপ্রতি প্রায় ৩০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের বুকিং রেট টনপ্রতি ১৫০ ডলার বাড়লেও আমদানিকারকদের মতে, সেই মালের প্রভাব এখনো বাজারে পড়ার কথা নয়। মূলত অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি এবং কোম্পানিগুলো ডিলারদের কমিশন কমিয়ে দেওয়ায় খুচরা বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন কোম্পানি ভেদে ৯৩০ থেকে ৯৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগেও অন্তত ২৫ টাকা কম ছিল।
রমজানে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় তিন লাখ টন হলেও দেশে আমদানির পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসেই প্রায় পৌনে চার লাখ টন তেল আমদানি হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে আরও এক লাখ টন খালাসের অপেক্ষায় আছে। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও রহস্যজনকভাবে দাম বাড়ায় সরকারের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ভোজ্যতেলে অস্থিরতা থাকলেও ডাল ও চিনির মতো অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
অন্যদিকে কাঁচাবাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়লেও ডিমের দাম ডজনে ৫ টাকা কমেছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে, রমজানকে কেন্দ্র করে নিত্যপণ্যের মজুত ও সরবরাহ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক। যদি বাজার তদারকি জোরদার করা যায়, তবে রমজানে দাম নতুন করে বাড়ার সম্ভাবনা কম। আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট বাড়ার দোহাই দিয়ে এখনই দেশের বাজারে দাম বাড়ানোকে অযৌক্তিক বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন