ঢাকা-১১ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মোড় নিয়েছে। এই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও ১১ দলীয় জোটের নেতা নাহিদ ইসলাম আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন। রিটে কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা এবং হলফনামায় সেই তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
রিট আবেদনের প্রধান অভিযোগ হলো, ড. কাইয়ুম ওশেনিয়া মহাদেশের দ্বীপরাষ্ট্র রিপাবলিক অব ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সেখানে তাঁর বিপুল সম্পত্তি ও বিনিয়োগ রয়েছে। রিটকারী নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা জানিয়েছেন, ড. কাইয়ুমের ভানুয়াতুর নাগরিকত্বের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ্যে এলেও তিনি তা নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করেননি, যা আইনত দণ্ডনীয়। এই রিটে ড. কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত করার পাশাপাশি তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে। আগামী কাল বা চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই আবেদনের ওপর হাইকোর্টে শুনানি হতে পারে।
এদিকে ড. এম এ কাইয়ুম তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগকে শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। গত ১৯ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব বা সেখানে বিনিয়োগের তথ্যগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর নামে ছড়িয়ে পড়া পাসপোর্টের ছবিগুলোকে তিনি ‘ফেক’ বা জাল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকভাবে তাঁকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এসব সাজানো তথ্য ছড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, ঢাকা-১১ আসনটি (বাড্ডা, রামপুরা ও ভাটারা) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অন্যতম হাই-ভোল্টেজ আসন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে গতকাল রবিবার কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা আপিল বিভাগেও বাতিল হওয়ায় ওই আসনে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ অনেকটা ফাঁকা মাঠ পেয়েছেন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ নির্বাচনী লড়াইকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-১১ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মোড় নিয়েছে। এই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও ১১ দলীয় জোটের নেতা নাহিদ ইসলাম আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন। রিটে কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা এবং হলফনামায় সেই তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
রিট আবেদনের প্রধান অভিযোগ হলো, ড. কাইয়ুম ওশেনিয়া মহাদেশের দ্বীপরাষ্ট্র রিপাবলিক অব ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সেখানে তাঁর বিপুল সম্পত্তি ও বিনিয়োগ রয়েছে। রিটকারী নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা জানিয়েছেন, ড. কাইয়ুমের ভানুয়াতুর নাগরিকত্বের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ্যে এলেও তিনি তা নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করেননি, যা আইনত দণ্ডনীয়। এই রিটে ড. কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত করার পাশাপাশি তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে। আগামী কাল বা চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই আবেদনের ওপর হাইকোর্টে শুনানি হতে পারে।
এদিকে ড. এম এ কাইয়ুম তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগকে শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। গত ১৯ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব বা সেখানে বিনিয়োগের তথ্যগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর নামে ছড়িয়ে পড়া পাসপোর্টের ছবিগুলোকে তিনি ‘ফেক’ বা জাল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকভাবে তাঁকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এসব সাজানো তথ্য ছড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, ঢাকা-১১ আসনটি (বাড্ডা, রামপুরা ও ভাটারা) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অন্যতম হাই-ভোল্টেজ আসন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে গতকাল রবিবার কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা আপিল বিভাগেও বাতিল হওয়ায় ওই আসনে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ অনেকটা ফাঁকা মাঠ পেয়েছেন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ নির্বাচনী লড়াইকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন