কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় দুই বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গুলি মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ‘আরাকান আর্মি’ বা সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর ছোড়া বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আহতরা হলেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মো. সোহেল (১৬) এবং মো. ওবাইদুল্লাহ (১৭)। তাঁরা বর্তমানে উখিয়ার এমএসএফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন, গুলিগুলি সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া হয়েছে।
পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। আহতদের আঘাত গুরুতর নয়, তবে ঘটনাস্থলে আট থেকে দশটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে নাফ নদী এলাকায় এই ধরনের সীমান্ত সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েছে।
এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। গত ১২ জানুয়ারি টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে আরাকান আর্মির গুলিতে এক শিশু আহত হয়েছিল। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মিয়ানমারের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। আহত জেলেদের দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। টেকনাফ সীমান্তের এই ঘটনা আবারও সীমান্ত নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় দুই বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গুলি মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ‘আরাকান আর্মি’ বা সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর ছোড়া বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আহতরা হলেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মো. সোহেল (১৬) এবং মো. ওবাইদুল্লাহ (১৭)। তাঁরা বর্তমানে উখিয়ার এমএসএফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন, গুলিগুলি সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া হয়েছে।
পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। আহতদের আঘাত গুরুতর নয়, তবে ঘটনাস্থলে আট থেকে দশটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে নাফ নদী এলাকায় এই ধরনের সীমান্ত সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েছে।
এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। গত ১২ জানুয়ারি টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে আরাকান আর্মির গুলিতে এক শিশু আহত হয়েছিল। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মিয়ানমারের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। আহত জেলেদের দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। টেকনাফ সীমান্তের এই ঘটনা আবারও সীমান্ত নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছে।

আপনার মতামত লিখুন