কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থাসহ একটি আরসিসি ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদগাহ ময়দানের মাঝ বরাবর পূর্ব–পশ্চিমমুখী একটি পুরোনো মাটির ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঈদের জামাতের সময় মুসল্লিদের পানির চাহিদা মেটাতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অস্থায়ীভাবে পানির ট্যাপ স্থাপন করত। এতে পানি ছড়িয়ে পড়ে ড্রেনের আশপাশে কাদা তৈরি হতো, যা মুসল্লিদের চলাচলে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত।
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ কমিটির সদস্য সচিব মো. এরশাদ মিয়া একটি টেকসই ব্যবস্থার প্রস্তাব দেন। তার উদ্যোগের পর জেলা পরিষদ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়।
প্রকল্পের আওতায় মাঠের মাঝখান দিয়ে পূর্ব–পশ্চিমে একটি আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, যার ওপর স্ল্যাব বসানো হবে। পাশাপাশি ঈদের দিন মুসল্লিদের জন্য পরিকল্পিতভাবে সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হবে।
তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মাঠের মাঝখানে ওজুখানা নির্মাণ করা হচ্ছে—এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এতে অনেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান মারুফ বলেন, শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে কোনো ওজুখানা নির্মাণের পরিকল্পনা নেই। এটি মূলত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প। ড্রেনটি স্ল্যাব দিয়ে ঢেকে দেওয়া হবে এবং মুসল্লিদের সুবিধার্থে কেবল সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হবে।
তিনি আরও জানান, ঐতিহাসিক এই ঈদগাহ মাঠের স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রেখেই সব উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থাসহ একটি আরসিসি ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদগাহ ময়দানের মাঝ বরাবর পূর্ব–পশ্চিমমুখী একটি পুরোনো মাটির ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঈদের জামাতের সময় মুসল্লিদের পানির চাহিদা মেটাতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অস্থায়ীভাবে পানির ট্যাপ স্থাপন করত। এতে পানি ছড়িয়ে পড়ে ড্রেনের আশপাশে কাদা তৈরি হতো, যা মুসল্লিদের চলাচলে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত।
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ কমিটির সদস্য সচিব মো. এরশাদ মিয়া একটি টেকসই ব্যবস্থার প্রস্তাব দেন। তার উদ্যোগের পর জেলা পরিষদ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়।
প্রকল্পের আওতায় মাঠের মাঝখান দিয়ে পূর্ব–পশ্চিমে একটি আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, যার ওপর স্ল্যাব বসানো হবে। পাশাপাশি ঈদের দিন মুসল্লিদের জন্য পরিকল্পিতভাবে সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হবে।
তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মাঠের মাঝখানে ওজুখানা নির্মাণ করা হচ্ছে—এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এতে অনেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান মারুফ বলেন, শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে কোনো ওজুখানা নির্মাণের পরিকল্পনা নেই। এটি মূলত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প। ড্রেনটি স্ল্যাব দিয়ে ঢেকে দেওয়া হবে এবং মুসল্লিদের সুবিধার্থে কেবল সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হবে।
তিনি আরও জানান, ঐতিহাসিক এই ঈদগাহ মাঠের স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রেখেই সব উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন