ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

কৃষকের মুখে হাসি, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা:

ত্রিশালে সরিষা ফুলের হাসিতে কৃষকের মুখে হাসি, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা:


মোঃ মোস্তাকিম মিয়া
মোঃ মোস্তাকিম মিয়া
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

ত্রিশালে সরিষা ফুলের হাসিতে কৃষকের মুখে হাসি, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা:
ময়মনসিংহের ত্রিশালে চলতি মৌসুমে সরিষার ফলন বাম্পার পর্যায়ে পৌঁছেছে। দিগন্তজোড়া মাঠে সরিষা ফুলের হলুদ সমারোহের মাঝে, ফলনের ভারে গাছগুলো নুয়ে পড়েছে। কৃষকরা ভালো ফলন ও দাম পাওয়ার আশা নিয়ে লাভের স্বপ্ন বুনছেন। 

 উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৬ শো হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বাম্পার ফলনের ফলে কৃষকদের মধ্যে হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। 

উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। একাধিক কৃষকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরিষা চাষ একটি লাভজনক আবাদ। দ্রুত সময়ে, কম পুঁজিতে কৃষকরা লাভবান হতে পারছেন। তাই বেশিরভাগ কৃষক এখন সরিষা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। 

এছাড়াও, কৃষকরা সরিষা চাষকে বোনাস হিসেবে দেখছেন। অতীতে কৃষকরা আমন ধান কাটার পর জমি পতিত ফেলে রাখতেন, তবে বর্তমানে আমন ধানের পর জমিতে সরিষা লাগানোর রীতি প্রচলিত হয়ে উঠেছে। এটি মাত্র ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যে ঘরে তুলতে সক্ষম হয়। 

 এক বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে সরিষা চাষ করতে লাগছে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। সঠিক পরিচর্যা পেলে প্রতি বিঘায় ফলন আসে ৫ থেকে ৬ মণ।উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের টানপাড়া গ্রামের কৃষক জিল্লুর রহমান জানান, "আমন ধান কাটার পর এক বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। এই সরিষা বিক্রি করে বোরো আবাদের জন্য তেল ও সার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যাবে।"

 ত্রিশাল সদর ইউনিয়নের বাগান গ্রামের কৃষক সাইফুল মিয়া বলেন, "দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আশা করছি, ১ হাজার ৮শত থেকে ২ হাজার টাকায় প্রতিমণ সরিষা বিক্রি করতে পারব।" উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া রহমান বলেন, "সরিষা মূলত একটি তেল জাতীয় ফসল। 

উপজেলায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আমরা আশা করছি। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষকদের জন্য নানা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা অধিক ফলন পেতে সক্ষম হন।" এছাড়াও, কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে সার ও বীজ সঠিক সময়ে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ফলে কৃষকদের কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয় নি। আশা করি, প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে কৃষক এবার সরিষার ভালো ফলন পাবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ত্রিশালে সরিষা ফুলের হাসিতে কৃষকের মুখে হাসি, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা:

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
ময়মনসিংহের ত্রিশালে চলতি মৌসুমে সরিষার ফলন বাম্পার পর্যায়ে পৌঁছেছে। দিগন্তজোড়া মাঠে সরিষা ফুলের হলুদ সমারোহের মাঝে, ফলনের ভারে গাছগুলো নুয়ে পড়েছে। কৃষকরা ভালো ফলন ও দাম পাওয়ার আশা নিয়ে লাভের স্বপ্ন বুনছেন। 


 উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৬ শো হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বাম্পার ফলনের ফলে কৃষকদের মধ্যে হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। 


উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। একাধিক কৃষকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরিষা চাষ একটি লাভজনক আবাদ। দ্রুত সময়ে, কম পুঁজিতে কৃষকরা লাভবান হতে পারছেন। তাই বেশিরভাগ কৃষক এখন সরিষা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। 

এছাড়াও, কৃষকরা সরিষা চাষকে বোনাস হিসেবে দেখছেন। অতীতে কৃষকরা আমন ধান কাটার পর জমি পতিত ফেলে রাখতেন, তবে বর্তমানে আমন ধানের পর জমিতে সরিষা লাগানোর রীতি প্রচলিত হয়ে উঠেছে। এটি মাত্র ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যে ঘরে তুলতে সক্ষম হয়। 

 এক বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে সরিষা চাষ করতে লাগছে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। সঠিক পরিচর্যা পেলে প্রতি বিঘায় ফলন আসে ৫ থেকে ৬ মণ।উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের টানপাড়া গ্রামের কৃষক জিল্লুর রহমান জানান, "আমন ধান কাটার পর এক বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। এই সরিষা বিক্রি করে বোরো আবাদের জন্য তেল ও সার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যাবে।"

 ত্রিশাল সদর ইউনিয়নের বাগান গ্রামের কৃষক সাইফুল মিয়া বলেন, "দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আশা করছি, ১ হাজার ৮শত থেকে ২ হাজার টাকায় প্রতিমণ সরিষা বিক্রি করতে পারব।" উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া রহমান বলেন, "সরিষা মূলত একটি তেল জাতীয় ফসল। 

উপজেলায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আমরা আশা করছি। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষকদের জন্য নানা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা অধিক ফলন পেতে সক্ষম হন।" এছাড়াও, কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে সার ও বীজ সঠিক সময়ে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ফলে কৃষকদের কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয় নি। আশা করি, প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে কৃষক এবার সরিষার ভালো ফলন পাবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ