ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

"টেকনাফ সীমান্তে মা'ই'ন বি/স্ফো'র'ণে যুবকের পা বিচ্ছিন্ন"


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

"টেকনাফ সীমান্তে মা'ই'ন বি/স্ফো'র'ণে যুবকের পা বিচ্ছিন্ন"

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় আজ (১২ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন বাংলাদেশি যুবকের পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। স্থানীয়দের উদ্ধারে পরে তাকে গুরুতর পরিস্থিতিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নাফ নদীর তীরবর্তী লম্বাবিল সীমান্ত এলাকাতে ঘটে। বিস্ফোরণে আহত ব্যক্তি মোহাম্মদ হানিফ (২২) নামে স্থানীয় এক যুবক। তিনি হোয়াইক্যং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল গ্রামের বাসিন্দা। বিস্ফোরণে তার বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং অন্যান্য অংশেও গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হানিফ সকালে নাফ নদীর পাড়ে একটি ব্যক্তিগত চিংড়ি খামারে তার কাজ দেখে ফেরার সময় স্থলমাইনটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের ভৌতিক শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) জানিয়েছে, বিস্ফোরণের কারণ সীমান্তে পুঁতে রাখা স্থলমাইন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এগুলো মিয়ানমার অভ্যন্তরে সংঘটিত সশস্ত্র সংঘাতের প্রভাবে পুঁতে থাকতে পারে, যা মুখোমুখি গোলাগুলির সময় সক্রিয় হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনার চূড়ান্ত কারণ নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আরমান্য গোলাগুলির শব্দ ও সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় পরিবেশ উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকায় আরাকান আর্মি, রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যকার সংঘাতের কারণে সীমান্তের ভেতরে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ বাংলাদেশি পক্ষেও শোনা গেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সীমান্তে এমন মাইন ঘটনার কারণে স্থানীয়রা বিশেষ সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন। এর আগেও টেকনাফ ও অন্যান্য সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি নাগরিকদের আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসন ও বিজিবি সাধারণ মানুষকে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে দূরে থাকার জন্য বারবার সতর্ক করেছে।

স্থানীয় প্রশাসন এবং বিজিবি ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর নিরাপত্তা এবং সচেতনতা জোরদার করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারা সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে সাধারণ নাগরিকদের সীমান্ত এলাকার নিকটে প্রবেশ এড়াতে অনুরোধ করেছে। এছাড়া আহতকে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


"টেকনাফ সীমান্তে মা'ই'ন বি/স্ফো'র'ণে যুবকের পা বিচ্ছিন্ন"

প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় আজ (১২ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন বাংলাদেশি যুবকের পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। স্থানীয়দের উদ্ধারে পরে তাকে গুরুতর পরিস্থিতিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নাফ নদীর তীরবর্তী লম্বাবিল সীমান্ত এলাকাতে ঘটে। বিস্ফোরণে আহত ব্যক্তি মোহাম্মদ হানিফ (২২) নামে স্থানীয় এক যুবক। তিনি হোয়াইক্যং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল গ্রামের বাসিন্দা। বিস্ফোরণে তার বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং অন্যান্য অংশেও গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হানিফ সকালে নাফ নদীর পাড়ে একটি ব্যক্তিগত চিংড়ি খামারে তার কাজ দেখে ফেরার সময় স্থলমাইনটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের ভৌতিক শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) জানিয়েছে, বিস্ফোরণের কারণ সীমান্তে পুঁতে রাখা স্থলমাইন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এগুলো মিয়ানমার অভ্যন্তরে সংঘটিত সশস্ত্র সংঘাতের প্রভাবে পুঁতে থাকতে পারে, যা মুখোমুখি গোলাগুলির সময় সক্রিয় হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনার চূড়ান্ত কারণ নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আরমান্য গোলাগুলির শব্দ ও সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় পরিবেশ উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকায় আরাকান আর্মি, রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যকার সংঘাতের কারণে সীমান্তের ভেতরে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ বাংলাদেশি পক্ষেও শোনা গেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সীমান্তে এমন মাইন ঘটনার কারণে স্থানীয়রা বিশেষ সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন। এর আগেও টেকনাফ ও অন্যান্য সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি নাগরিকদের আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসন ও বিজিবি সাধারণ মানুষকে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে দূরে থাকার জন্য বারবার সতর্ক করেছে।

স্থানীয় প্রশাসন এবং বিজিবি ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর নিরাপত্তা এবং সচেতনতা জোরদার করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারা সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে সাধারণ নাগরিকদের সীমান্ত এলাকার নিকটে প্রবেশ এড়াতে অনুরোধ করেছে। এছাড়া আহতকে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ