বগুড়ার শেরপুরে হামিদুল মন্ডল নামের এক ধান ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামসংলগ্ন একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত হামিদুল মন্ডল (৫০) একই গ্রামের মৃত মমতাজ মন্ডলের ছেলে এবং পেশায় ধান ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে ব্যবসার পাওনা টাকা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন হামিদুল মন্ডল। এরপর রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। রোববার সকালে স্থানীয়রা গ্রামের পাশের মাঠে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে শেরপুর থানা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
শেরপুর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী বলেন, নিহতের গলায় ফাঁসের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করে মরদেহ সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে হামিদুল মন্ডল নামের এক ধান ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামসংলগ্ন একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত হামিদুল মন্ডল (৫০) একই গ্রামের মৃত মমতাজ মন্ডলের ছেলে এবং পেশায় ধান ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে ব্যবসার পাওনা টাকা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন হামিদুল মন্ডল। এরপর রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। রোববার সকালে স্থানীয়রা গ্রামের পাশের মাঠে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে শেরপুর থানা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
শেরপুর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী বলেন, নিহতের গলায় ফাঁসের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করে মরদেহ সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে

আপনার মতামত লিখুন