১১ জানুয়ারি ২০২৬ রোববার সকালে নেত্রকোনার রাজুরবাজার এলাকায় ঢাকাগামী ট্রেন থেকে ছিটকে পড়ে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম ইয়াসিন আহমেদ সিয়াম (১৮)। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার ধনপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে এবং নেত্রকোনা আবু আব্বাছ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।
স্থানীয় রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে “হাওর এক্সপ্রেস” ট্রেনে ওঠেন। ভিড়ের কারণে তিনি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ট্রেন চলার সময় যাত্রীদের চাপের কারণে দরজা থেকে ছিটকে পড়ে তিনি পাশের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা খেয়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ট্রেনের প্রচণ্ড ভিড় এবং দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের অসাবধানতা এই দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নিহতের পরিবার জানান, সিয়াম সকালে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেনে ওঠেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নেত্রকোনায় রেল দুর্ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও শনিবার (১০ জানুয়ারি) চল্লিশা এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রেনের ভিড়, দরজার পাশে দাঁড়ানো এবং ট্র্যাক পার্শ্ববর্তী অবকাঠামোই এই ধরনের দুর্ঘটনার মূল কারণ।
রেল নিরাপত্তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সতর্কতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি না হলে ভবিষ্যতেও এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
১১ জানুয়ারি ২০২৬ রোববার সকালে নেত্রকোনার রাজুরবাজার এলাকায় ঢাকাগামী ট্রেন থেকে ছিটকে পড়ে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম ইয়াসিন আহমেদ সিয়াম (১৮)। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার ধনপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে এবং নেত্রকোনা আবু আব্বাছ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।
স্থানীয় রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে “হাওর এক্সপ্রেস” ট্রেনে ওঠেন। ভিড়ের কারণে তিনি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ট্রেন চলার সময় যাত্রীদের চাপের কারণে দরজা থেকে ছিটকে পড়ে তিনি পাশের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা খেয়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ট্রেনের প্রচণ্ড ভিড় এবং দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের অসাবধানতা এই দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নিহতের পরিবার জানান, সিয়াম সকালে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেনে ওঠেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নেত্রকোনায় রেল দুর্ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও শনিবার (১০ জানুয়ারি) চল্লিশা এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রেনের ভিড়, দরজার পাশে দাঁড়ানো এবং ট্র্যাক পার্শ্ববর্তী অবকাঠামোই এই ধরনের দুর্ঘটনার মূল কারণ।
রেল নিরাপত্তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সতর্কতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি না হলে ভবিষ্যতেও এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন