রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ দুপুর ২.০০ ঘটিকায় উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা বাজার সংলগ্ন মরিচ্যা চেকপোস্ট এলাকায় ৩০ বিজিবি ও উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অবৈধভাবে সার পরিবহনকালে ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার (১৫ মেট্রিক টন) জব্দ করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত ইউরিয়া সার বিধি মোতাবেক নিলাম নিষ্পত্তি করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা প্রদানের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং উপস্থিত বিজিবি সদস্যদেরকে নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ।অভিযান পরিচালনার সময় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার উপস্থিত ছিলেন। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে ৩০ বিজিবি ও উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে যৌথভাবে অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় একটি ট্রাকে করে অবৈধভাবে পরিবহনের সময় ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়, যার পরিমাণ প্রায় ১৫ মেট্রিক টন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সার বিধি অনুযায়ী নিলামে নিষ্পত্তি করে সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ উখিয়া-টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায় সরকারি ও ভর্তুকিকৃত ইউরিয়া সার অবৈধভাবে পরিবহন করে মিয়ানমারে পাচার করা হয়। সীমান্তের ওপারে সারের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র দেশের অভ্যন্তর থেকে সার সংগ্রহ করে পাচারের চেষ্টা করছে বলে স্থানীয়দের মতামত।
কৃষি খাতের জন্য ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহ করা সার এভাবে সীমান্তপথে পাচার হলে স্থানীয় কৃষকেরা যেমন সংকটে পড়বে, তেমনি সরকারি ভূর্তুকির অর্থও অপচয়ের ঝুঁকিতে পড়বে। তাই উখিয়া- টেকনাফে সরকার কর্তৃক ভূর্তুকি দেওয়া সারের পরিবহন ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও তৎপরতা জোরদারের দাবি জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু সার জব্দ করলেই হবে না, এর উৎস, গন্তব্য এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সহায়কদের শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাচারের পুরো নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি প্রশাসনিক অভিযান অব্যাহত রাখা জরুরি।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ দুপুর ২.০০ ঘটিকায় উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা বাজার সংলগ্ন মরিচ্যা চেকপোস্ট এলাকায় ৩০ বিজিবি ও উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অবৈধভাবে সার পরিবহনকালে ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার (১৫ মেট্রিক টন) জব্দ করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত ইউরিয়া সার বিধি মোতাবেক নিলাম নিষ্পত্তি করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা প্রদানের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং উপস্থিত বিজিবি সদস্যদেরকে নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ।অভিযান পরিচালনার সময় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার উপস্থিত ছিলেন। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে ৩০ বিজিবি ও উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে যৌথভাবে অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় একটি ট্রাকে করে অবৈধভাবে পরিবহনের সময় ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়, যার পরিমাণ প্রায় ১৫ মেট্রিক টন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সার বিধি অনুযায়ী নিলামে নিষ্পত্তি করে সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ উখিয়া-টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায় সরকারি ও ভর্তুকিকৃত ইউরিয়া সার অবৈধভাবে পরিবহন করে মিয়ানমারে পাচার করা হয়। সীমান্তের ওপারে সারের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র দেশের অভ্যন্তর থেকে সার সংগ্রহ করে পাচারের চেষ্টা করছে বলে স্থানীয়দের মতামত।
কৃষি খাতের জন্য ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহ করা সার এভাবে সীমান্তপথে পাচার হলে স্থানীয় কৃষকেরা যেমন সংকটে পড়বে, তেমনি সরকারি ভূর্তুকির অর্থও অপচয়ের ঝুঁকিতে পড়বে। তাই উখিয়া- টেকনাফে সরকার কর্তৃক ভূর্তুকি দেওয়া সারের পরিবহন ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও তৎপরতা জোরদারের দাবি জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু সার জব্দ করলেই হবে না, এর উৎস, গন্তব্য এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সহায়কদের শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাচারের পুরো নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি প্রশাসনিক অভিযান অব্যাহত রাখা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন