বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে এনসিপির কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দলটির নেতারা এসব কথা বলেন।
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জনভোগান্তি নিরসন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে এই লংমার্চ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। জনগণের ন্যায্য দাবি তুলে ধরতেই ১১ দলীয় ঐক্য রাজপথের এই কর্মসূচি নিয়েছে। লংমার্চে সর্বস্তরের মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হবে। কর্মসূচিতে প্রায় এক হাজার গাড়ি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
লংমার্চের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যাতে না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হবে বলে জানান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, গাড়িবহর একটি নির্দিষ্ট লাইনে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবে। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে লংমার্চের পুরো পথে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বাধা এলেও তারা লংমার্চ সম্পন্ন করবেন।
এর আগে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং তেল-গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোসহ জনদুর্ভোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দাবিতে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। এর প্রথম কর্মসূচি হিসেবে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রামে লংমার্চ শেষে লালদিঘী ময়দানে সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতারা সমাবেশস্থল পরিদর্শন করে মঞ্চ, প্রবেশপথ, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এনসিপি নেতাদের ভাষ্য, কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করাই তাদের লক্ষ্য। তবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা মোকাবিলা করেই চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ সফল করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে এনসিপির কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দলটির নেতারা এসব কথা বলেন।
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জনভোগান্তি নিরসন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে এই লংমার্চ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। জনগণের ন্যায্য দাবি তুলে ধরতেই ১১ দলীয় ঐক্য রাজপথের এই কর্মসূচি নিয়েছে। লংমার্চে সর্বস্তরের মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হবে। কর্মসূচিতে প্রায় এক হাজার গাড়ি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
লংমার্চের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যাতে না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হবে বলে জানান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, গাড়িবহর একটি নির্দিষ্ট লাইনে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবে। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে লংমার্চের পুরো পথে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বাধা এলেও তারা লংমার্চ সম্পন্ন করবেন।
এর আগে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং তেল-গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোসহ জনদুর্ভোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দাবিতে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহর অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। এর প্রথম কর্মসূচি হিসেবে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রামে লংমার্চ শেষে লালদিঘী ময়দানে সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতারা সমাবেশস্থল পরিদর্শন করে মঞ্চ, প্রবেশপথ, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এনসিপি নেতাদের ভাষ্য, কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করাই তাদের লক্ষ্য। তবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা মোকাবিলা করেই চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ সফল করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন