চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে কোদালের আঘাতে নুরহাবা নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী রোহিঙ্গা সলিমকে ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যে আটক করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, রোহিঙ্গা সলিম ও নুরহাবা দম্পতি প্রায় চার মাস ধরে দোহাজারী সদর উল্লাপাড়ায় আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। সলিম স্থানীয় এক মাঝির মাধ্যমে দোহাজারী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাটি কাটাসহ শ্রমিকের কাজ করতেন।
প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন বুধবার সকালেও মাটি কাটার কোদাল ও দুপুরের খাবার সঙ্গে নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন সলিম। কিছুদূর যাওয়ার পর জানতে পারেন, পূর্বনির্ধারিত কাজটি হচ্ছে না। পরে তিনি বাসায় ফেরার পথে দেখতে পান, তার স্ত্রী নুরহাবাও বাসায় তালা লাগিয়ে কোথাও যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হচ্ছেন।
এ সময় স্ত্রী কোথায় যাচ্ছেন—এমন প্রশ্ন করাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে সলিমের হাতে থাকা কোদাল দিয়ে নুরহাবার মাথা, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নুরহাবা গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন।
পরে সলিম নিজেই আহত স্ত্রীকে উদ্ধার করে দোহাজারী ৩১ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরহাবাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি স্থানীয়রা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানালে দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সাইফুল আলমের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে সলিমকে আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক সলিম কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ক্যাম্প-১ এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দোহাজারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উল্লাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে কোদালের আঘাতে নুরহাবা নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী রোহিঙ্গা সলিমকে ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যে আটক করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, রোহিঙ্গা সলিম ও নুরহাবা দম্পতি প্রায় চার মাস ধরে দোহাজারী সদর উল্লাপাড়ায় আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। সলিম স্থানীয় এক মাঝির মাধ্যমে দোহাজারী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাটি কাটাসহ শ্রমিকের কাজ করতেন।
প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন বুধবার সকালেও মাটি কাটার কোদাল ও দুপুরের খাবার সঙ্গে নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন সলিম। কিছুদূর যাওয়ার পর জানতে পারেন, পূর্বনির্ধারিত কাজটি হচ্ছে না। পরে তিনি বাসায় ফেরার পথে দেখতে পান, তার স্ত্রী নুরহাবাও বাসায় তালা লাগিয়ে কোথাও যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হচ্ছেন।
এ সময় স্ত্রী কোথায় যাচ্ছেন—এমন প্রশ্ন করাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে সলিমের হাতে থাকা কোদাল দিয়ে নুরহাবার মাথা, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নুরহাবা গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন।
পরে সলিম নিজেই আহত স্ত্রীকে উদ্ধার করে দোহাজারী ৩১ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরহাবাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি স্থানীয়রা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানালে দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সাইফুল আলমের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে সলিমকে আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক সলিম কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ক্যাম্প-১ এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দোহাজারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উল্লাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন