ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

প্রেম নয়, হয়রানির শিকার - পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শফিকুল


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫

প্রেম নয়, হয়রানির শিকার - পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শফিকুল

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শফিকুলকে নিয়ে ওঠা একটি অভিযোগ এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠলেও তিনি তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি একটি পরিকল্পিত ফাঁদে পড়েছেন, যেখানে তাঁকে হয়রানি এবং অর্থের লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডাঃ শফিকুলের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ প্রচারিত হচ্ছিল। এ প্রসঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে ডাঃ শফিকুল দাবি করেন, "এটি একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ও ফাঁদ। আমাকে একটি গোষ্ঠী অর্থের বিনিময়ে চুপ করাতে চায়। যা ঘটেছে তা কোনো প্রেম কিংবা সম্পর্কের ঘটনা নয়, বরং আমাকে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করার জন্য একটি হ্যানি ট্যাপের শিকার হয়েছি।" তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই তিনি বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উচ্চ কর্তৃপক্ষ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করেছেন। প্রয়োজনীয় প্রমাণ ও তথ্যও তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, "ডাঃ শফিকুলের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ আমাদের নিকট পৌঁছেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

অন্যদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে এই ঘটনাটি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় কয়েকজন সমাজসেবীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, "একজন সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ আনা হচ্ছে। অন্যদিকে, তিনি নিজেই হয়রানির দাবি করছেন। তাই একটি সুষ্ঠু তদন্ত জরুরি, যাতে সত্যি কথা বেরিয়ে আসতে পারে এবং দোষী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া যায়।"

ত্রিশাল থানার একজন কর্মকর্তা জানান, সকল তথ্যের ভিত্তিতে মামলা আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতার মাধ্যমে চারজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে এবং ৩ লাখ টাকার মধ্যে ৫৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি সন্দেহভাজনদের আটক করার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এখন এই কেলেঙ্কারির রহস্য উন্মোচন এবং প্রকৃত সত্য জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের ব্যাখ্যা ও আইনানুগ পদক্ষেপই এখন সকলের নজরের কেন্দ্রবিন্দু।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


প্রেম নয়, হয়রানির শিকার - পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শফিকুল

প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শফিকুলকে নিয়ে ওঠা একটি অভিযোগ এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠলেও তিনি তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি একটি পরিকল্পিত ফাঁদে পড়েছেন, যেখানে তাঁকে হয়রানি এবং অর্থের লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডাঃ শফিকুলের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ প্রচারিত হচ্ছিল। এ প্রসঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে ডাঃ শফিকুল দাবি করেন, "এটি একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ও ফাঁদ। আমাকে একটি গোষ্ঠী অর্থের বিনিময়ে চুপ করাতে চায়। যা ঘটেছে তা কোনো প্রেম কিংবা সম্পর্কের ঘটনা নয়, বরং আমাকে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করার জন্য একটি হ্যানি ট্যাপের শিকার হয়েছি।" তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই তিনি বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উচ্চ কর্তৃপক্ষ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করেছেন। প্রয়োজনীয় প্রমাণ ও তথ্যও তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, "ডাঃ শফিকুলের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ আমাদের নিকট পৌঁছেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

অন্যদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে এই ঘটনাটি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় কয়েকজন সমাজসেবীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, "একজন সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ আনা হচ্ছে। অন্যদিকে, তিনি নিজেই হয়রানির দাবি করছেন। তাই একটি সুষ্ঠু তদন্ত জরুরি, যাতে সত্যি কথা বেরিয়ে আসতে পারে এবং দোষী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া যায়।"

ত্রিশাল থানার একজন কর্মকর্তা জানান, সকল তথ্যের ভিত্তিতে মামলা আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতার মাধ্যমে চারজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে এবং ৩ লাখ টাকার মধ্যে ৫৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি সন্দেহভাজনদের আটক করার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এখন এই কেলেঙ্কারির রহস্য উন্মোচন এবং প্রকৃত সত্য জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের ব্যাখ্যা ও আইনানুগ পদক্ষেপই এখন সকলের নজরের কেন্দ্রবিন্দু।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ