টানা কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের ষোলশহর ও জানআলীহাট স্টেশনের মধ্যবর্তী প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
পরিদর্শনকালে তিনি হাঁটুসমান পানিতে নেমে রেললাইনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রেললাইনের প্রায় ৫০০ মিটার অংশ প্রায় দুই ফুট পানির নিচে চলে যায়। প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময়ও সেখানে দেড় ফুটের মতো পানি জমে ছিল।
এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা জলাবদ্ধতার কারণ, রেল চলাচলের নিরাপত্তা এবং দ্রুত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার উপায় নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে রেললাইনের কোনো কাঠামোগত ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। পানি নেমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
এদিকে যেসব যাত্রী ভ্রমণ বাতিল করতে চান, তারা সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কাউন্টার থেকে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী টিকিটের মূল্য ফেরত নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। একই সঙ্গে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যাত্রীদের সাময়িক ভোগান্তির জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
টানা কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের ষোলশহর ও জানআলীহাট স্টেশনের মধ্যবর্তী প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
পরিদর্শনকালে তিনি হাঁটুসমান পানিতে নেমে রেললাইনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রেললাইনের প্রায় ৫০০ মিটার অংশ প্রায় দুই ফুট পানির নিচে চলে যায়। প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময়ও সেখানে দেড় ফুটের মতো পানি জমে ছিল।
এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা জলাবদ্ধতার কারণ, রেল চলাচলের নিরাপত্তা এবং দ্রুত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার উপায় নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে রেললাইনের কোনো কাঠামোগত ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। পানি নেমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
এদিকে যেসব যাত্রী ভ্রমণ বাতিল করতে চান, তারা সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কাউন্টার থেকে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী টিকিটের মূল্য ফেরত নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। একই সঙ্গে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যাত্রীদের সাময়িক ভোগান্তির জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

আপনার মতামত লিখুন