ডিমের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি এবং বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে প্রান্তিক খামারিরা।শনিবার সকালে মহাসড়কের জৈনা বাজার এলাকায় শত শত খামারি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ খামারিরা মহাসড়কে ডিম ভেঙে অভিনব প্রতিবাদ জানান, যার ফলে রাস্তার উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া খামারিরা অভিযোগ করেন, পোল্ট্রি ফিড (খাদ্য) ও ওষুধের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে বর্তমানে একটি ডিম উৎপাদনে যে খরচ হচ্ছে, বাজারে তারা তার চেয়ে অনেক কম দাম পাচ্ছেন। অথচ মধ্যস্বত্বভোগী ও বড় বড় কর্পোরেট সিন্ডিকেটের কারসাজিতে খুচরা বাজারে ভোক্তাদের চড়া দামে ডিম কিনতে হচ্ছে। খামারিদের দাবি— লাভ তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচ না ওঠায় হাজার হাজার প্রান্তিক খামারি আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে। এই সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক খামারিদের রক্ষার্থে তারা সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
"আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করে ডিম উৎপাদন করছি, আর লাভ লুটে নিচ্ছে গুটিকয়েক সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী। লোকসান গুনতে গুনতে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বাধ্য হয়েই আমরা আজ রাস্তায় নেমেছি। সরকার যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে দেশের পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে।
বিক্ষোভের একপর্যায়ে খামারিরা তাদের সাথে আনা শত শত ডিম মহাসড়কের ওপর আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন। তারা বলেন, "সিন্ডিকেটের হাতে পানির দরে ডিম তুলে দেওয়ার চেয়ে রাস্তায় ভেঙে প্রতিবাদ জানানোই শ্রেয়।" ডিম ভেঙে রাস্তা অবরোধ করার ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় ৩০ মিনিট যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।
খামারিদের এই আকস্মিক অবরোধের খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা খামারিদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং তাদের দাবিসমূহ সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়ে এবং সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে খামারিরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন। তবে দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিমুলতলা পোল্ট্রি খামারি এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
ডিমের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি এবং বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে প্রান্তিক খামারিরা।শনিবার সকালে মহাসড়কের জৈনা বাজার এলাকায় শত শত খামারি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ খামারিরা মহাসড়কে ডিম ভেঙে অভিনব প্রতিবাদ জানান, যার ফলে রাস্তার উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া খামারিরা অভিযোগ করেন, পোল্ট্রি ফিড (খাদ্য) ও ওষুধের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে বর্তমানে একটি ডিম উৎপাদনে যে খরচ হচ্ছে, বাজারে তারা তার চেয়ে অনেক কম দাম পাচ্ছেন। অথচ মধ্যস্বত্বভোগী ও বড় বড় কর্পোরেট সিন্ডিকেটের কারসাজিতে খুচরা বাজারে ভোক্তাদের চড়া দামে ডিম কিনতে হচ্ছে। খামারিদের দাবি— লাভ তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচ না ওঠায় হাজার হাজার প্রান্তিক খামারি আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে। এই সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক খামারিদের রক্ষার্থে তারা সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
"আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করে ডিম উৎপাদন করছি, আর লাভ লুটে নিচ্ছে গুটিকয়েক সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী। লোকসান গুনতে গুনতে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বাধ্য হয়েই আমরা আজ রাস্তায় নেমেছি। সরকার যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে দেশের পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে।
বিক্ষোভের একপর্যায়ে খামারিরা তাদের সাথে আনা শত শত ডিম মহাসড়কের ওপর আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন। তারা বলেন, "সিন্ডিকেটের হাতে পানির দরে ডিম তুলে দেওয়ার চেয়ে রাস্তায় ভেঙে প্রতিবাদ জানানোই শ্রেয়।" ডিম ভেঙে রাস্তা অবরোধ করার ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় ৩০ মিনিট যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।
খামারিদের এই আকস্মিক অবরোধের খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা খামারিদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং তাদের দাবিসমূহ সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়ে এবং সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে খামারিরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন। তবে দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিমুলতলা পোল্ট্রি খামারি এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন