কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে দৈনিক সকাল বেলা'র বিশেষ প্রতিনিধি সাংবাদিক ওমর ফারুককে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকাল ৬টার দিকে উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের ধলাই-বগাদিয়া বাজারে এ লোমহর্ষক হামলার ঘটনা ঘটে।
রক্তাক্ত আহত সাংবাদিক ওমর ফারুক বর্তমানে মিঠামইন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাংবাদিক ওমর ফারুক জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং নিজ এলাকার জেলে সাইদুল হত্যাকাণ্ড নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আসছিলেন।
সম্প্রতি ‘মাদক, চোর-ডাকাত, সন্ত্রাসী প্রতিকার শীর্ষক চেয়ারম্যান প্রার্থীদের করণীয় কি?’ শীর্ষক একটি লাইভ ভিডিও তিনি নিজ ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন। ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
এরই জেরে ১ জুলাই বিকালে তিনি বাজারে গেলে আজাহার ও আইয়ুব রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
আহত ওমর ফারুক বলেন, “তারা পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত এগিয়ে না এলে আমি আজ বেঁচে থাকতাম না। আমি এই বর্বরোচিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। এ বিষয়ে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরাম কিশোরগঞ্জ জেলা শাখাসহ কিশোরগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিক সমাজ। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ ব্যাপারে মিঠামইন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা শোনামাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে দৈনিক সকাল বেলা'র বিশেষ প্রতিনিধি সাংবাদিক ওমর ফারুককে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকাল ৬টার দিকে উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের ধলাই-বগাদিয়া বাজারে এ লোমহর্ষক হামলার ঘটনা ঘটে।
রক্তাক্ত আহত সাংবাদিক ওমর ফারুক বর্তমানে মিঠামইন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাংবাদিক ওমর ফারুক জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং নিজ এলাকার জেলে সাইদুল হত্যাকাণ্ড নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আসছিলেন।
সম্প্রতি ‘মাদক, চোর-ডাকাত, সন্ত্রাসী প্রতিকার শীর্ষক চেয়ারম্যান প্রার্থীদের করণীয় কি?’ শীর্ষক একটি লাইভ ভিডিও তিনি নিজ ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন। ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
এরই জেরে ১ জুলাই বিকালে তিনি বাজারে গেলে আজাহার ও আইয়ুব রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
আহত ওমর ফারুক বলেন, “তারা পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত এগিয়ে না এলে আমি আজ বেঁচে থাকতাম না। আমি এই বর্বরোচিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। এ বিষয়ে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরাম কিশোরগঞ্জ জেলা শাখাসহ কিশোরগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিক সমাজ। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ ব্যাপারে মিঠামইন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা শোনামাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন