ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লা স্তূপ ধসে সীমানা প্রাচীর ভাঙন, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫

বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লা স্তূপ ধসে সীমানা প্রাচীর ভাঙন, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূ-গর্ভস্থ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে কয়লা স্তূপে ধসের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা দিয়ে পরিচালিত ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট ২৭৫ মেগাওয়াট এবং বাকি দুই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট করে মোট ২৫০ মেগাওয়াট। কেপিআই (অতিগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) দুটি পাশাপাশি হওয়ায় বেল্টের মাধ্যমে কয়লাখনির ইয়ার্ড থেকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা সরবরাহ করা হতো। দীর্ঘদিন যাবৎ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় খনির কোল ইয়ার্ডে প্রতিনিয়তই কয়লার মজুদ বাড়তে থাকে।

সাধারণত কয়লা স্তূপের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫-৩০ ফুট করার নিয়ম থাকলেও, জায়গা না থাকায় তিনটি ইয়ার্ডে প্রায় অর্ধশত মিটারের বেশি উচ্চতা করে কয়লা মজুদ করা হয়। ফলে প্রতিনিয়তই রোদে পুড়ে যাওয়াসহ এসব কয়লায় অগ্নি কাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটছে। এরই অংশ হিসেবে দুর্ঘটনা রোধে আজ সকালে কয়লার স্তূপে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হয়। উচ্চতা বেশি থাকার কারণে ২ নম্বর কোল ইয়ার্ডে ২৫ ও ২৬ নম্বর নিরাপত্তা চৌকির মাঝামাঝি এলাকায় ধসের ঘটনায় সীমানা প্রাচীর ভেঙে যায়।

তবে এই ঘটনায় কোনো প্রকার হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বড় ধরনের দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব কয়লা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তালেব ফরাজী বলেন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র মজুদ কয়লার মূল্য পরিশোধ করলেও পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় তা আমাদের এখানে রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে খনির তিনটি কোল ইয়ার্ডে প্রায় ৫ লাখ মেট্রিকটন টন পাথর মজুদ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লা স্তূপ ধসে সীমানা প্রাচীর ভাঙন, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূ-গর্ভস্থ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে কয়লা স্তূপে ধসের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা দিয়ে পরিচালিত ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট ২৭৫ মেগাওয়াট এবং বাকি দুই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট করে মোট ২৫০ মেগাওয়াট। কেপিআই (অতিগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) দুটি পাশাপাশি হওয়ায় বেল্টের মাধ্যমে কয়লাখনির ইয়ার্ড থেকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা সরবরাহ করা হতো। দীর্ঘদিন যাবৎ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় খনির কোল ইয়ার্ডে প্রতিনিয়তই কয়লার মজুদ বাড়তে থাকে।

সাধারণত কয়লা স্তূপের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫-৩০ ফুট করার নিয়ম থাকলেও, জায়গা না থাকায় তিনটি ইয়ার্ডে প্রায় অর্ধশত মিটারের বেশি উচ্চতা করে কয়লা মজুদ করা হয়। ফলে প্রতিনিয়তই রোদে পুড়ে যাওয়াসহ এসব কয়লায় অগ্নি কাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটছে। এরই অংশ হিসেবে দুর্ঘটনা রোধে আজ সকালে কয়লার স্তূপে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হয়। উচ্চতা বেশি থাকার কারণে ২ নম্বর কোল ইয়ার্ডে ২৫ ও ২৬ নম্বর নিরাপত্তা চৌকির মাঝামাঝি এলাকায় ধসের ঘটনায় সীমানা প্রাচীর ভেঙে যায়।

তবে এই ঘটনায় কোনো প্রকার হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বড় ধরনের দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব কয়লা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তালেব ফরাজী বলেন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র মজুদ কয়লার মূল্য পরিশোধ করলেও পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় তা আমাদের এখানে রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে খনির তিনটি কোল ইয়ার্ডে প্রায় ৫ লাখ মেট্রিকটন টন পাথর মজুদ রয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ