শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের হওয়া এক পিটিশন মামলায় আনা ‘ধর্ষণচেষ্টা’র অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে তার পরিবার। এই অভিযোগের প্রতিবাদে শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে ভালুকা স্কুল মাঠে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। মামলাটি নলকুড়া ইউনিয়নের ভালুকা গ্রামের মো. হাবিবুল্লাহর স্ত্রী মোছা. নুরেছা বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার মো. ছাহের আলীর ছেলে মো. রাকিব হোসেনের বিরুদ্ধে তাঁর মেয়ে মোছা. হাবিবা আক্তার রুবিনাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ এনে শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা নং– ২৭৬/২৫ দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কিশোর অভিযুক্ত মো. রাকিব হোসেনের বাবা মো. ছাহের আলী। তিনি বলেন, জন্ম তারিখ অনুযায়ী রাকিবের বয়স বর্তমানে চৌদ্দ বছর এগারো মাস, যা তাকে আইনগতভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে প্রমাণ করে। এত কম বয়সী একটি শিশুর বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ আনা 'অমানবিক ও মানহানিকর' বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি দাবি করেন, বাদী পক্ষের উপস্থাপিত ঘটনাস্থল, সময় ও বিবরণ বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এবং এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মনগড়া ও ভিত্তিহীন। ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে এবং তাদের ছেলে রাকিবকে মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে না পারায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মিথ্যা মামলায় কিশোর রাকিব মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে, পাশাপাশি সামাজিকভাবে পুরো পরিবার অপমান ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তারা গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান। মো. ছাহের আলী বলেন, "আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।" তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন কেউ বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার না করেন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রাখেন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে পরিবারের সদস্যরা পুনর্ব্যক্ত করেন, "আমাদের সন্তানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা সত্য প্রতিষ্ঠা চাই।" সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের হওয়া এক পিটিশন মামলায় আনা ‘ধর্ষণচেষ্টা’র অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে তার পরিবার। এই অভিযোগের প্রতিবাদে শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে ভালুকা স্কুল মাঠে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। মামলাটি নলকুড়া ইউনিয়নের ভালুকা গ্রামের মো. হাবিবুল্লাহর স্ত্রী মোছা. নুরেছা বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার মো. ছাহের আলীর ছেলে মো. রাকিব হোসেনের বিরুদ্ধে তাঁর মেয়ে মোছা. হাবিবা আক্তার রুবিনাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ এনে শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা নং– ২৭৬/২৫ দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কিশোর অভিযুক্ত মো. রাকিব হোসেনের বাবা মো. ছাহের আলী। তিনি বলেন, জন্ম তারিখ অনুযায়ী রাকিবের বয়স বর্তমানে চৌদ্দ বছর এগারো মাস, যা তাকে আইনগতভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে প্রমাণ করে। এত কম বয়সী একটি শিশুর বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ আনা 'অমানবিক ও মানহানিকর' বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি দাবি করেন, বাদী পক্ষের উপস্থাপিত ঘটনাস্থল, সময় ও বিবরণ বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এবং এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মনগড়া ও ভিত্তিহীন। ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে এবং তাদের ছেলে রাকিবকে মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে না পারায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মিথ্যা মামলায় কিশোর রাকিব মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে, পাশাপাশি সামাজিকভাবে পুরো পরিবার অপমান ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তারা গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান। মো. ছাহের আলী বলেন, "আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।" তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন কেউ বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার না করেন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রাখেন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে পরিবারের সদস্যরা পুনর্ব্যক্ত করেন, "আমাদের সন্তানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা সত্য প্রতিষ্ঠা চাই।" সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন